শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ঈদুল আযহা বয়ে আনুক আনন্দ ও সম্প্রীতি

অরবিন্দ রায়, স্টাফ রির্পোটারঃ

ত্যাগ, মহানুভবতা ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর মানুষের মানুষের জীবনে নিয়ে আসে আনন্দের বার্তা। ধর্মপ্রান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি  অর্জনের লক্ষ্যে পশু কোরবানির মাধ্যমে হযরত ইব্রাহিম ( আ.) এর ত্যাগের স্মরণ করেন।
ঈদুল আযহা শুধু কোরবানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, ধনী – গরীর মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্ব,সহমর্মিতা ও ভালোবাসার বন্ধনকে আরও দৃঢ করে। কোরবানির মাংস আত্মীয় – স্বজন, প্রতিবেশী ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে সমাজে সাম্যের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে মানুষের মাঝে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

ঈদের প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগ ও মানবতার চর্চা। সমাজে বিত্তবান মানুষ যদি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাহলে ঈদের আনন্দ আরও পরিপূর্ণ। সকলের মধ্যে  ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত হলেই ঈদ হয়ে উঠবে সত্যিকারের শান্তি ও সম্প্রীতির উৎসব।

পবিত্র ঈদুল আযহা সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির – এ প্রত্যাশা সকলের। বিভেদ ভুলে মানুষের মানুষের গড়ে উঠুক সৌহার্দ্যের বন্ধন। দূর হোক মানুষের মন থেকে হিংসা – বিদ্বেষ। ত্যাগের মহিমায় অলোকিত হোক সমাজ ও রাষ্ট্র।
বাঙ্গালী মনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে লালন পালন করে আসছে সামাজিকতা। বিশ্বের কোন দেশের মানুষের মধ্যে নেই বাঙ্গালীদের মতো অতিথি আপ্যায়ন।  ঈদের দিন সকল মতভেদ ভুলে কোলাকুলি ও আড্ডায় মেতে উঠে বাংলার মানুষ। বাংলাদেশের ধনী  – গরীব, শিক্ষত -অশিক্ষিত সকলেই মিলিত হয় ঈদে।   মানুষের  হাসি আনন্দে উৎসবমুখর  হয়ে ওঠে প্রতিটি গ্রাম।
ঈদ মানেই আনন্দ, খুশী, অন্যরকম এক অনুভূতি। ঈদ সকল মানুষের জীবনে নিয়ে আসুক হাসি, আনন্দ এ কামনা করি।

শেয়ার করুন