সভায় নৌ পথে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত, পণ্য ও পশুবাহী যানবাহনের নিরাপত্তা, নৌঘাটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি ঈদে লঞ্চ, স্পিডবোট ও বাল্কহেড চলাচল নিয়ন্ত্রণ, নদীতীরবর্তী কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা এবং পশুর চামড়া পরিবহন সংক্রান্ত বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়।
সভায় বক্তারা বলেন, ঈদকে সামনে রেখে নৌপথ ব্যবহারকারী যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নৌ পুলিশ মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে লঞ্চ ও নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন বন্ধ করা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস মেনে নৌযান পরিচালনা, নৌপথে টহল জোরদার এবং নির্ধারিত টার্মিনাল ছাড়া অন্য কোথাও যাত্রী ওঠানামা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. রেজাউল করিম বলেন, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নৌপথে যাত্রী ও কোরবানির পশু পরিবহনে নিরাপত্তায় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে নৌ পুলিশ। তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়ে লঞ্চ ছাড়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরো বলেন, নৌপথ নিরাপদ রাখতে নৌ পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সরাসরি মাঠে থেকে তদারকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নদীতে ত্রুটিযুক্ত নৌযান চলাচল ঠেকাতে সতর্ক দৃষ্টি রাখার নির্দেশনাও দেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় নৌপথ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, নৌ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের প্রতিনিধি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নৌ পুলিশের পুলিশ সুপাররা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশ নেন।




