বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আমি হবো স্বৈরশাসক -আবু হানিফ হৃদয়

বাংলার চোখ নিউজ :

পৃথিবীর জন্ম চারশত ষাট কোটি বছর। কয়েক দশক ধরে নিজ দেশের প্রতিটি পাড়া, মহল্লা, গ্রাম ও গঞ্জের মানুষগুলো সব সময় হিংসা-প্রতিহিংসার মাঝে যুদ্ধ করে। সমাজ থেকে শুরু করে নিজের আপন মানুষগুলোও ইজ্জত, সম্মান ও ক্ষমতাকে নিয়ে হিংসা করে। কেউ কারো ভাল দেখতে চায় না। একে অপরের বিরুদ্ধে বদনাম বলা, ছোটো করে দেখা এক মানুষিক রোগে দেশকে ভর করেছে। জাতীয় সংসদ সেখানেও ভাষার কোনো সৌর্ন্দয্য নেই হুমকি-ধামকি চলে। মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাইযোদ্ধা নামে দেশটাকে পৈত্রিক সম্পত্তি বানিয়ে গিলে খেতে চায়। যেভাবে খুশি একে অপরকে ঘায়েল করে। গণতন্ত্রের সংসদ এখন এমন দাঁড়িয়েছে ইজ্জত নেই, সম্মান নেই। আর জনগণও এখন আবেগ, ভয় ও অর্থের কাছে ভোট ও বিবেক বিক্রি করে অযোগ্যদের সংসদে পাঠায়। মৌলভীরা এখন লোভের কাছে ইসলাম ও নিজের ইমান বিক্রি করে। ইসলামী দলগুলো কুরআনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে মিথ্যা কথা, ন্যায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে মিথ্যা কথা। ইসলামী দলগুলোকে যদি বলা হয় মন্ত্রিত্ব দিবো কাল থেকে ইহুদিরদের দালালি করতে হবে। নিঃসন্দেহ বড়ো বড়ো রাজনীতিবিদ আলেমরা ক্ষমতার জন্য নিজের ঈমান ও দল বন্ধক দিয়ে দালালি শুরু করবে, ইনসাফ বিক্রি করবে। বিগত দিনে মৌলভীরা বিভিন্ন দলের গোলামি ও চামচামি করে প্রমাণও দিয়েছে। মৌলভীরা কখনো হতে পারবে না। ২০১৮ সালে মামুনুলের দল এরশাদের জোটে ছিলো, জামায়াত বিএনপির সাথে, চরমোনাই আওয়ামী লীগের দোসর আর হেফাজত খন্ড-বিখন্ড হয়ে সমর্থন দিয়েছে। আর এখন কে হালতে চলছে দেশের সবারই জানা রয়েছে।যেই মৌলভীরা নারী নেতৃত্বকে হারাম বলতো সেই মৌলভীরা এখন নারীদের পিছনে মিছিল করে। কওমী-আলিয়া-মাজার পূজারীরা দুনিয়াধারীর ক্ষমতার লোভে মহাব্যাস্ত হয়ে পড়েছে।

মৌলভীদের আচরণে দেশের সততা, গণতন্ত্র, মানবিকতা, ঈমান ধ্বংস হচ্ছে। সাধারণ মুসল্লিরা দ্বিধাদ্বন্দে মৌলভীদের প্রতি ঈমানের বিশ্বাস হারাচ্ছে। দিন যতো যাবে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দেশে হাজার হাজার মসজিদ মাদ্রাসা হবে কিন্তু আল্লাহর দিন প্রতিষ্ঠায় খাঁটি ইমানদার পাওয়া যাবে না। ৯০ দশকে যে দলগুলো যে ব্যক্তিগুলো কুরআনের পক্ষে নারীদের বেপর্দা, খেলাফত প্রতিষ্ঠায় ফতুয়া দিতো সে দলগুলো ও ব্যক্তিগুলো আজ ক্ষমতার জন্য গণেশ পাল্টে দিয়েছে। বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ক্ষমতায় গেলে এদেশের আদর্শ বিক্রি করা ইসলামী দলগুলোর রাজনীতি নিষিদ্ধ করে “আমি হবো স্বৈরশাসক”।

যারা দ্বীনের পথে আছে তারা দ্বীনকেই প্রতিষ্ঠা করবে। আযান, নামাজ, মসজিদ, মাদ্রাসা রেখে পল্টন এসে হালুয়া রুটির আশায় ক্ষমতার জন্য জান্নাতের টিকেট দিবে এই ভন্ডদের রাজনীতি করতে দেয়া যাবে না। ওয়াজ-মাহফিলে কুরআন-হাদিসের তাফসীর ছাড়া দুনিয়াবি কথা বলা দেয়া যাবে না। আমি কেনো স্বৈরশাসক হবো? ছাত্র জীবন থেকে কখনো রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। ২০০৮ সালে ২১ বছর বয়সে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১% সমর্থন যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। ২০১৪ সালেও ১% সমর্থন যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। রাজনীতির হতাশা আর বৈষম্য স্বীকারের যন্ত্রণা থেকে বিশ্ব গণতন্ত্রের জনক আব্রাহাম লিংকনের ব্যর্থ জীবনের সফলতা থেকে ২১ নভেম্বর ২০১৪ সালে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা চাটার্ড কমার্স কলেজে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে দলটি প্রতিষ্ঠা করি। আন্দোলন, সংগ্রাম, গ্রেফতার, ডিবি কর্তৃক বারবার নির্যাতনের মাধ্যমে ২০১৮ সালে দলটি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করি। ঐ বছর ৭৬টি দল কমিশনে আবেদন করলেও সবগুলো দলকেই খারিজ করেদেন কমিশন। তৎকালীন সরকারের ডিজিএফ কর্মকর্তা ও ১৪ দলের সমন্বয়ক সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তাঁর ধানমন্ডি নিজ বাসায় নারায়ণগঞ্জ জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলটি নিবন্ধনে কিছু শর্ত দিয়েছিল। শর্ত মোতাবেক সেইদিন বলেছিলাম প্রতিনিয়ত বিরোধী দলের বিপক্ষে ও সরকারি দলের পক্ষে মিটিং মিছিল করা সম্ভব নয়। হার না মানা ইতিহাস আবারো তৃতীয়বারের মতো একাদশ সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র মনোনয়নপত্র দাখিল করলে ঢাকা-৫ ও নারায়ণগঞ্জ-২ থেকে প্রার্থীতা বাতিল করেন কমিশন। তখনি মনে পরে মায়া অ্যাঞ্জেলুর কথা তিনি বলেছিলেন,

“You will face many defeats in life,  but never let yourself be defeated.”
জীবনে তুমি অনেকবার হারবে, কিন্তু নিজেকে কখনো পরাজিত হতে দিও না।

দ্বীর্ঘ ৭ বছর মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে ৫টি কোর্ট পরিবর্তনের ধৈর্য্য একাধিক শুনানির পর একের পর এক হতাশা কাটিয়ে আদালতের রায়ে ২৩ অক্টোবর ২০২৫ সালে দলটির নিবন্ধন লাভ করি। আদালতের ৩০দিনের রায় বাস্তবায়ন করতে নিবন্ধনের পূর্বে টানা ১০৮ দিন নির্বাচন কমিশনে ঘুরতে ঘুরতে দফায় দফায় বৈঠক করে আধা মৃত্যু লাশ হতে হয়। তারমধ্যে ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়। জোটের রাজনীতির খেলায় মাঠ গরম হলেও দল নয় ব্যক্তির দালালি, তেলবাজি ও আদর্শ বিক্রি করাদের কদর বড়ো দলগুলোর কাছে আছে বেশি। যে জোটে যাবে সেই জোটের পক্ষে অন্য জোটকে অগণতান্ত্রিক ভাষায় গালিগালাজ করতে হবে। নিজের আদর্শ চরিত্র বিসর্জন দিয়ে জোটে যাওয়া সম্ভব হয়নি। জোট মানেই বড়ো দলের পায়খানা পরিস্কার করে অন্য দলের ওপর ডিলা মেরে টিকে থাকা। ২০২৬ সালে যেসব দলের চেয়ারম্যনেরা নির্বাচন করার সাহস করতে পারে নাই। তারা বড়ো দলের মাইক পেয়ে বড়ো কথা বলে জোট থেকে একমুঠো ভিক্ষ পাওয়ার জন্য। একজন রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যান হিসেবে ভোট পাওয়া না পাওয়া হিসাব না করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতার মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শরিক থাকা উচিৎ ছিল। অনেকে দল প্রতিষ্ঠা করেছেন নির্বাচন করতে ভয় পান আবার বড়ো বড়ো ইজ্জতমারা বক্তব্য দিয়ে হেডম দেখান। আর আশায় থাকেন লুঙ্গির তোলে থেকে পা টিপে এমপি হওয়া যায় কিনা। ২০২৬ সালের নির্বাচনে ববি হাজ্জাজ নিজের দল (এনডিএম) ও রাশেদ খাঁন (গণঅধিকার পরিষদ) বিলুপ্তি করে একটি এমপির জন্য ইতিহাস গড়ে গেলেন। জাগপার রাশেদ প্রধান প্রধানমন্ত্রীকে কুলাঙ্গার শব্দ বলার সাহস করে দেশে আরো কোটি বেয়াদপ তৈরির মেশিন স্থাপন করলেন। লোবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান শহিদ জিয়া, বেগম জিয়ার নামে দ্বীর্ঘ ১৫ বছর বিএনপির মহাসচিবকে নিয়ে প্রশসংসায় ভাসছেন। অবশেষে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাজাকারের বাচ্চা ও বিএনপিকে এখন তুলোধুনো করে।

এক দশক আগেও আল্লামা মামুনুল হক, জুনায়েত হাবিবদের থেকে পর্দার আড়ালে মা-বোনেরা ইসলাম রক্ষায় যা শিখেছে এখন তাঁদের রাজনীতির মিছিল দেখে সবই মনে হয় বেমানান। ইসলামী বক্তারা কুরআন হাদিসের কথা বাদ দিয়ে রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করে, অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে তা দিয়ে ধারনা করা যায় কুরআন হাদিসের বর্ণণা অনুযায়ী জাহান্নামে এসব দুনিয়ালোভী আলেমদের কাতারও সবার আগে থাকবে। নাম হেফাজত ইসলাম তাদের দ্বারা কী সত্যি ইসলাম হেফাজত হচ্ছে? নাম জামায়াতে ইসলাম তারা কী বেপর্দা নারী আর দুনিয়াধারীর লোভ নিয়ে ক্ষমতা দখল করে আল্লাহর সুন্তুষ্টি লাভ করতে পারবে? সবার ভিতরে রাজনীতির হিংসা-প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কাজ করে। যেকোনো ভাবে ক্ষমতা দখল করতে হবে। স্ত্রী-সন্তান বুক ফুলিয়ে বেপর্দায় হাটে আর তুমি দাঁড়ি টুপি, জুব্বা পরে মসজিদের আগের কাতারে নামাজ পরে ইনসাফ কতটুকু প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে এবিষয়ে জনগণ বুঝতে পারে?

সৃষ্টিকর্তার উপাসনা ছাড়া আনন্দ বিলাসিতা যা-ই করো রেজাল্ট শূণ্য। মানুষ যখন এই যুগে অমানুষ হয়ে গেছে, নিজের বিবেককে অর্থ ও ভয়ের কাছে আবদ্ধ করে ফেলেছে। ভোটের আগের রাত্রে ভোট বিক্রি করতে পাঁচশত টাকার আশায় থাকে। সেখানে মানবতা আর কৃতজ্ঞতা হারিয়ে যায়। সেখানে রাজনীতিতে ঘৃণিত, লজ্জিত, বেহাযয়া ছাড়া মাঠে টিকে থাকা সম্ভব নয়। বিরোধী দল যখন বলে সংসদে তেল আছে পাম্পে নাই। এই সরকার দেশ চালাতে পারবে না। ১৬ দিনে সরকারকে পতন করে ছাড়ব। তখনি আফসোস লাগে বৈশ্বিক সমস্যা কী বিরোধী দল বুঝে না। নির্বাচিত সরকার কী বিরোধী দল বুঝে না। নির্বাচনের আয়োজকরা যখন বলে নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। সরকারি দল তার বিচার করে না। বিরোধী দল মেনে আবার সংসদে যায়। তখন আফসোস হয় নিজস্বার্থের জন্য জনগণ খেলনা পুতুল। অন্যায়ের সাথে আপোষ করার জন্যই বিরোধী দলের জন্ম আর সরকারি দলের ভোট চুরি আর ইঞ্জিনিয়ারিং-ই সততা।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এ জাতি পায় না। তখনি রক্ষক্ষরণ হয় হৃদয়ে। জীবনে বড়ো ভুল করে ফেলেছি বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) হাতি প্রতীকের দলটিকে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে নিবন্ধন করে। ১টি কলেজ, ১টি ফাউন্ডেশন, ১টি সংস্থা, ১টি দৈনিক পত্রিকা ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১০ হাজার ছাত্রকে উচ্চ শিক্ষায় মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে সহযোগিতা করেছি। কবি-সাহিত্যিক হিসেবে ২৪টি বই রচনা করাও ছিলো জীবনের ভুল অধ্যয়। ছাত্র জীবন, তরুন জীবন ও যৌবনের ৩৯ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আয় হিসেবের খাতা ছাড়াই মানুষের সেবায় ব্যয় করাও ছিলো ভুল অধ্যয়। সন্তানদের জন্য কিছু না করে শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জন করাটা তৃপ্তি পেলেও প্রাকৃতিক দূর্যোগে উজাড় করে সহযোগিতা ছিলো সন্তুষ্টি লাভ। বন্ধু, বান্ধব ও রাজনীতি শুভাকাংখী ভেবে অর্থ, সময় নষ্ট করাটা ছিল মৃত্যুদণ্ড অপরাধ। এই সমাজের মানুষ এখন বড়োই অকৃতজ্ঞ। শিশু বাচ্চাদের নিকট মির্জা আব্বাসরা যখন অসহায় হয়ে যায়, মহান সংসদে যখন ফজলুর রহমানরা অগণতাান্ত্রিক আচরণ করে রাজাকারের বাচ্চা হুংকার দেয়, জুলাই যোদ্ধারা স্পীকারের সাথে চোখে চোখ রেখে চেচামেচি করে। দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে টিকটক বানায়, এক মাসেই নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটাতে চায়, যেদেশর রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম নিতে ভয পায়, জুলাই যোদ্ধার নামে ছাত্ররা প্রধানমন্ত্রীর নাম ধরে তারেক বলে, শিক্ষামন্ত্রীকে মিলন বলে ডাকে। সেদেশে আমার মতো অযোগ্য লোকের রাজনীতির শাসন ব্যবস্থা কী হওয়া উচিৎ ভাবার বিষয়? শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করাটাই ছিল ভুল। যে শেখ হাসিনার ৫ আগস্ট পতনের পরে ভোটের খাতা শূন্য তো দুরের কথা মাইনাস ভোট ছিল। জুলাই নামে অন্তবর্তীকালীন সরকার দেশের যে ক্ষতি করেছে তা ফ্যাসিস্ট সরকারের চেয়েও ভয়ংকর ক্ষতি করে গেছে। বুঝে শুনেই একজন নোবেল বিজয়ীকে শেখ হাসিনা গরীবের রক্তচষা নির্দয়া হিসেবে জেলে দিতে চেয়েছেন।

ইউনুস সরকার ঐক্যমত কমিশনে তিনি সব দলকে ডাকেন নি, গণভোটে তিনি ভোট চেয়ে হ্যাঁ ভোটকে প্রশ্নোবিদ্ধ করেছেন। নির্বাচনে তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। বিদেশিদের সাথে গোলামি চুক্তি করেছেন। ইনজিও কর্মী দিয়ে দেশ চালিয়ে দেশটা লুট করেছেন। আর তাঁর দায় জুলাই বিক্রি করা ভূইফোঁড় এনসিপি এড়াতে পারে না। সেজন্যই এখন জনগণ শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্টকেই বলে আগের সরকারই ভাল ছিল। বিএনপি-জামায়াতের অনৈক্য আওয়ামীলীগ গেছে যে পথে বিএনপি-জামায়াত যাবে সে পথে। আওয়ামী লীগকে মাইনাস করে বিএনপি-জামায়াতের নির্বাচনে যাওয়াটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। যে ভুল আওয়ামী লীগ করেছে রাজনৈতিক দলগুলো ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট চর্চা করে ২০২৬ সালের নির্বাচনে একই ভুল করেছে। রাষ্ট্র জনগণের, উন্নয়ন জনগণের, ক্ষমতা জনগণের বিশ্বাস ঘাটতি করে যারা বিদেশিদের উপর ভর করে। তারাই একদিন আলো নিভিয়ে অন্ধকার দিবে। ভোটের অধিকার নিয়ে এবারের নির্বাচন নিয়েও বির্তক রয়েছে। ২০১৪ সাল গেছে বিনাভোটে, ২০১৮ সাল গেছে রাতের ভোটে, ২০২৪ সাল গেছে ডামি ভোটে আর ২০২৬ সাল গেছে ইঞ্জিনিয়ারিং ভোটে। তাহলে কীসের ৭১, ৭৫, ৯১, ২০০৭, ২০২৪ সব রক্তই বৃথা। আমরা মানুষ হতে পারলাম না। নিরপেক্ষ ভোটের জন্য আরো রক্ত দিতে হবে। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্যায়ের সাথে আপোষ করব না। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে বুঝেও বুকে কষ্ট নিয়ে মেনে নিয়েছে। মুখে আপোষ নয়, অন্তরে ক্ষমতা আর লোভের জন্য ঠিকই আপোষ করে। তারা আপোষ করে ৮৬ তে এরশাদ, ৯১ খালেদা জিয়া, ৯৬ হাসিনা, ২০০১ খালেদা জিয়া, ২০১৮ সালে ধানের শীষ, ২০২৬ সালে ডান, বাম, পূজা, রোজা, বেপর্দা নারী নিয়ে যেসব দল ইসলামী দলের নামে ইসলামি খেলাফত, শেষ নবীর আদর্শ ও আল্লাহর আইন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নামে ইসলাম ধর্ম ও ঈমানকে ধ্বংস করছে। সেই লোভীদের ভবিষ্যতে বিআরপি ক্ষমতায় গেলে তাদের বিরুদ্ধে রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে “আমি হবো স্বৈরশাসক”।

 

শেয়ার করুন