ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তারের জেরে উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ও জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ইমরান হোসেন সোহাগকে (২৬) গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় নিহত ইমরান উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমরান বন্ধুদের নিয়ে সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের সশস্ত্র একটি দল এসে প্রথমে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও তর্কে লিপ্ত হয়। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ইমরানকে গুলি করে ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ইমরানের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) প্রণব কুমার জানান, গুলিতে নিহত যুবকের মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি গুলি করে ও কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে কারা কী কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা হয়নি।





