বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এতো খাঙ্গে না আগের দিন বাঘে খাইছে-আবু হানিফ হৃদয়

বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান কেএম আবু হানিফ হৃদয় বলেন, দেশে যা হবে জনগণের ভোটে হবে, ইউনুস সরকারের সংস্কার জাতীয় সংসদে পাশ করলে বৈধতা পাবে। জুলাই করেছি দেশব্যাপী বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আর এনসিপি নামক কিছু লোভীরা জুলাইকে শেষ করে দিয়েছে। আর এখন যা বলবে আমরা তাই করবো এতো খাঙ্গে না আগের দিন বাঘে খাইছে। ভবিষ্যতে আন্দোলন বুঝে শুনে হবে।ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও ইউনুস সরকারের শাসনে ব্যক্তি স্বার্থ ছিল। বিএনপির উচিৎ সংস্কারকে সংস্কার করে বাস্তবায়ন করা যায় কিনা ভেবে দেখা উচিৎ।

 শেখ হাসিনা সরকারের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ছিলেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। তিনি প্রধান বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান। প্রধান বিচারপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনকে শপথ বাক্য পাঠ করান। আর সেই বৈধ প্রধান নির্বাচন কমিশনের অধীনে ২০২৬ সালের নির্বাচিত সরকার নিয়ে যারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকার অবৈধ বলে তারা গণতন্ত্র বুঝে না।

ফ্যাসিস্ট সরকারের বৈধ রাষ্ট্রপতি থাকার কারণে অদ্য পর্যন্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার সকল কার্যক্রম বৈধ। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক শপথ পাঠ করার কারণে ইউনুস সরকারও বৈধ ছিল কিন্তু তাদের রাষ্ট্র সংস্কারসহ অনেক কার্যক্রম ছিল জনবিরোধী। জনগণ তাদের সংস্কার করার অধিকার দেয়নি। জুলাই সনদে জনগণের কোনো সমর্থন ছিল না। সংস্কারের নামে পিকনিক, অর্থ লুটপাট, আড্ডা, গল্প করেছিল তখনকার অনিবন্ধিত দল এনসিপি ও কিছু মবের ভয়ে দল। আর আমার মনে হয় বিএনপিকে জিম্মি করে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করাতে বাধ্য করা হয়েছে। বাংলাদেশ রিপাবলিকান পাটি স্ব-শরীরে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন জুলাই-গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করার পরেও তারা জুলাই সনদের সংস্কারে বৈষম্য সৃস্টি করেছে। সংস্কার সংলাপে হাতেগোনা কিছু রাজনৈতিক দল ছিল। বড়ো একটি অংশ বাদ দিয়ে জুলাই সনদ রাজনৈতিক দলের প্রতিফলন হতে পারে না। ইউনুস সরকার ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দিয়ে গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

ইউনুস সরকার ছাত্র জনতার নামে কিছু লোভীদের প্রতিষ্ঠিত করার নামে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকে ধ্বংস করে জুলাইকে বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। ১৭ বছরের ভোটাধিকার হরনকারীকে সাধারণ জনগণ, ছাত্র জনতা, বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল এবং সরকারি দলের সুবিধা না পাওয়া একটি অংশের আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট পতন হয়েছিল। কিছু সংখ্যাক ভন্ড লোভী নিজেদের একক ক্রেডিট নিয়ে আবারো বৈধ সরকারকে পতনের হুমকি দেয় তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। তাদের মনে রাখতে হবে এই সরকার বৈধ সরকার, জনগণের ভোট প্রয়োগের সরকার। হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ইউনুস সরকার ও জামায়াত জোট প্রচার করে জুলাই সনদের গণভোটের বৈধতা হারিয়েছে। বর্তমান সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উচিৎ, নির্বাচিত সরকারের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জুলাই সনদ পুনরায় সংস্কার করে সংসদে উত্থাপন করা। তা না হলে এই সংস্কার বাংলাদেশ রিপাবলিকান পাটি (বিআরপি) মানে না, মানবে না। যে সরকার ক্ষমতার মসনদে বসে জণভাষার বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট তৈরি করবে তার বিরুদ্ধে বিআরপি’র গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যহিত থাকবে।

শেয়ার করুন