ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজ্যের দাভানগেরে জেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। এতে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে নববধূ সরস্বতীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী বাড়ি থেকে মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। বিষয়টি নিয়ে তার পরিবার থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, সরস্বতী তার পূর্বের প্রেমিক শিবকুমারের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন।
হরিশের মৃত্যুর খবর শুনে গভীর মানসিক আঘাত পান রুদ্রেশ (৩৬)। তিনি বিয়ের ঘটক ও সরস্বতীর মামা ছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, বিয়ের আগেই সরস্বতীর একটি সম্পর্ক ছিল এবং বিষয়টি হরিশ জানতেন। এরপরও তিনি সরস্বতীর পরিবারকে রাজি করিয়ে বিয়ে করেন। রুদ্রেশ এই বিয়ের ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রেখেছিলেন।
দাভানগেরের পুলিশ সুপার উমা প্রসাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘দাভানগেরে থানার আওতায় এসসি/এসটি (নির্যাতন প্রতিরোধ) আইনে দুটি মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মানসিক চাপ ও আবেগগত বিপর্যয়ের কারণেই ওই দুই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চলছে।





