বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন দেশের মানুষের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে। জিয়াউর রহমানের পর তিনি গণতন্ত্র ও উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা শুরু করেছিলেন, সেটি তারেক রহমানের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে চালিয়ে গেছেন।”
সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে অনুষ্ঠিত শোকসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
আমীর খসরু আরও বলেন, “জিয়াউর রহমান যে উদ্ভাবনী প্রেরণা দিয়েছিলেন ব্যক্তিখাত ও প্রাইভেট খাতে, তা বেগম খালেদা জিয়া ধারণ করেছিলেন এবং তা অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতেও কাজে লাগিয়েছেন। শুধুমাত্র গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে নয়, অর্থনীতিতেও তার অবদান ছিল সমান গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি ও পররাষ্ট্রনীতিকে আন্তর্জাতিকভাবে এগিয়ে নিয়েছিলেন। মাল্টিসেক্টর ক্ষেত্রের উন্নয়ন এবং দেশের বৈদেশিক সম্পর্কের প্রসারে তার নেতৃত্ব দেশকে আরও দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে গেছে।
আমীর খসরু বলেন, “মৃত্যুর ৮-৯ বছর আগে বেগম খালেদা জিয়া দেশের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন অন্য কেউ এ ধরনের উদ্যোগ নেননি। তিনি ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেছিলেন এবং তারেক রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ৩১ দফা পরিকল্পনা তৈরি হয়েছিল, যেখানে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে করণীয় বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছিল।”
তিনি আরও যোগ করেন, “যে বিষয়গুলো প্রাইভেট সেক্টরে উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন, তা বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রাইভেটাইজেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। শুধু মুক্ত বাজার অর্থনীতিতেই নয়, সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানকেই অর্থনৈতিকভাবে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেয়ার গুরুত্ব বেগম খালেদা জিয়া দিয়েছেন।”





