যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বন্দি হওয়া ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে মুক্ত করার দাবিতে দেশটির রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন স্থানে সমর্থকরা বিক্ষোভ করছেন। বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন কারাকাসের মেয়র কারমেন মেলান্দেজ, যিনি মাদুরো সরকারের অনুগত। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রীকে “অবৈধভাবে অপহরণ” করেছে। খবরটি প্রকাশ করেছে বিবিসি।
ভেনেজুয়েলায় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে বন্দি করা হয়। অভিযানের পর তাদেরকে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়। শনিবার মাদুরো ও ফ্লোরেসকে বহনকারী উড়োজাহাজটি নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে স্টুয়ার্ট এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে।
বিমানঘাঁটিতে অবতরণের পর তাদের প্রথমে হেলিকপ্টারে করে ম্যানহাটনের ওয়েস্টসাইড হেলিপোর্টে নেওয়া হয়। সেখান থেকে মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ডিইএ) কার্যালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ব্রুকলিনের বন্দিশিবিরে পাঠানো হয়েছে।
মাদুরো দম্পতির বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও মাদুরো আগের থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, “ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন দেশটির জনগণ। সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে জোরপূর্বক আটক করার পর এর পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে এবং কংগ্রেসের অনুমোদন পাবে কি না, তা নির্ধারণ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এটি ছিল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একটি অভিযান। আমরা এর সাথে কংগ্রেসকেও সম্পৃক্ত রাখব। পরবর্তী কী হবে তা নির্ধারণ করবে ভেনেজুয়েলার জনগণ। তবে নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির দিক থেকে শেষ পর্যন্ত আমেরিকা এতে উপকৃত হবে। আমরা বিশ্বাস করি, ভেনেজুয়েলার মানুষও এতে লাভবান হতে পারে।”





