যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শনিবার ভোরে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় দেশজুড়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো।
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একই সময়ে শহরের আকাশে নিচু উচ্চতায় উড়ে যাওয়া কয়েকটি বিমানও নজরে আসে। তবে এসব বিমান সামরিক ছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য জানায়নি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো।
বিস্ফোরণের পর কারাকাসের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি বড় সামরিক ঘাঁটির আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয়েছে, রাজধানীর দক্ষিণাংশে অবস্থিত প্রধান সামরিক স্থাপনা ফোর্ট তিউনার সংলগ্ন এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই এলাকায় হামলার মুহূর্ত ধারণ করা হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
প্রাথমিক তথ্যে আরও বলা হয়েছে, জেনারালিসিমো ফ্রান্সিসকো দে মিরান্ডা বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলার সময় কারাকাসের আকাশে মার্কিন সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টার উড়তে দেখা গেছে। পাশাপাশি প্রশস্ত অ্যাঙ্গেলে ধারণ করা কিছু ফুটেজে শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন বিমান হামলার দৃশ্য রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, ভেনেজুয়েলার সরকার দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে।
সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কারাকাসের পাশাপাশি মিরান্ডা, আরাগুয়া এবং লা গুয়াইরা রাজ্যেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভেনেজুয়েলা অভিযোগ করেছে, দেশটির তেল ও খনিজ সম্পদ দখলের চেষ্টার অংশ হিসেবেই ওয়াশিংটন এসব হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো প্রচেষ্টা সফল হবে না।
সূত্র: আল-জাজিরা





