ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার পেছনে যারা মূলভাবে জড়িত, তাদের পুরো পরিচয় প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘হাদির হত্যা রহস্যজনক এবং এর সঙ্গে অনেকেই জড়িত। আমরা ইতিমধ্যেই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। হত্যার পেছনে যারা মূলে রয়েছে, তাদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করতে আমরা কঠোরভাবে কাজ করছি।’
তিনি আরও জানান, হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো সায়েন্টিফিক পরীক্ষার জন্য সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, যে মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়েছিল, তা ডিবি পুলিশ জব্দ করেছে।
হাদির হত্যাকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যবহৃত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন কমিশনার। তিনি বলেন, ‘আমরা মোট ২১৮ কোটি টাকার চেক জব্দ করেছি।’ এছাড়া, মামলার চার্জশিট আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে দাখিল করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে শনিবার শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি চলেছে টানা দ্বিতীয় দিন। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করে শাহবাগ মোড়ে পৌঁছে অবস্থান নেন। এরপর থেকে অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়।





