গত কয়েক বছরে উত্তর কোরিয়া তাদের মিসাইল পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরীক্ষা মূলত মিসাইলের নির্ভুলতা ও ক্ষমতা উন্নত করা, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকে চ্যালেঞ্জ করা এবং পরবর্তীতে এসব মিসাইল রাশিয়ায় রপ্তানি করার উদ্দেশ্য নিয়ে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি পাহাড়ি অঞ্চলের মিসাইল উৎপাদন কারখানা পরিদর্শন করেছেন। এই সময় তিনি ফ্যাক্টরির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী বছর মিসাইল উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে। কিম মন্তব্য করেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই ধরনের উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার জন্য সেনা পাঠিয়েছে। এছাড়াও পিয়ংইয়ং গোলা, মিসাইল এবং দূরপাল্লার রকেট সিস্টেম সরবরাহ করেছে। বিনিময়ে রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে আর্থিক সহায়তা, সামরিক প্রযুক্তি, খাদ্য ও জ্বালানি দিয়েছে। পাশাপাশি মহাকাশ ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে সহায়তাও প্রদান করছে।
উত্তর কোরিয়ার গবেষক এন-চান-ই বার্তাসংস্থাকে জানিয়েছেন, “উত্তর কোরিয়ার আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম তার উদ্দেশ্য অর্জন করেছে বলে মনে হয়। তারা এখন এটি আরও উন্নত করার পরিকল্পনা করছে।”
যদিও পশ্চিমা দেশগুলো উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে, দেশটি তাদের সামরিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। তারা ইতিমধ্যে বিশ্বের সর্বাধুনিক মিসাইলসহ বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন করেছে।





