ব্রাজিল ও সান্তোসের সুপারস্টার ফরোয়ার্ড নেইমারের হাঁটুর চোটে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। ফিফা বিশ্বকাপ পর্যন্ত সময় মাত্র ছয় মাস বাকি থাকায়, ক্ষতিগ্রস্ত মেনিস্কাসের চিকিৎসা সম্পন্ন হওয়ায় তার মাঠে ফেরার সম্ভাবনা বেড়েছে।
সাম্প্রতিক মৌসুমটি সান্তোসের জন্য চ্যালেঞ্জপূর্ণ ছিল। ৩৩ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান তারকা চোট থাকা সত্ত্বেও মাঠে নেমে শৈশবের ক্লাবকে অবনমন থেকে বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
সান্তোস জানিয়েছে, ব্রাজিল জাতীয় দলের ডাক্তারই নেইমারের এই অস্ত্রোপচার করেছেন। ২০২৩ সালে ACL চোটের সময়ও একই ডাক্তার তার অস্ত্রোপচার করেছিলেন। অস্ত্রোপচারের পর নেইমারের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে, এবং ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে খেলতে সক্ষম হওয়ার সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে। এছাড়া কোচ কার্লো আনচেলত্তির বিশ্বকাপ স্কোয়াডে তার অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বার্সেলোনা ও প্যারিস সেন্ট-জার্মেইতে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা নেইমার ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড গড়েছেন। ১২৮ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৭৯টি গোল। তবে তিনি দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের পর পিএসজি ছেড়ে সৌদি আরবের আল-হিলালে যোগ দেন নেইমার। চোটের কারণে সেখানে ১৮ মাসে মাত্র সাতটি ম্যাচ খেলতে পারেন। এরপর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে আসেন।
হাঁটুর চোট থাকা সত্ত্বেও তিনি মাঠে নেমে সান্তোসকে অবনমন অঞ্চল থেকে রক্ষা করেন। মৌসুমের শেষ চারটি ম্যাচে পাঁচটি গোল করেন এবং ক্লাবকে বিপদ থেকে বের করেন। বছরের শেষে তার বর্তমান চুক্তি শেষ হবে, তবে ক্লাবের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।





