বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ট্রাম্প ২০২৬ সালে অভিবাসন অভিযান আরও কঠোর করবেন

ফাইল ছবি

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৬ সালে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছেন এবং এজন্য নতুনভাবে বিশাল অর্থ বরাদ্দের প্রস্তুতি চলছে। এই উদ্যোগের আওতায় কর্মস্থলে অভিযান বাড়ানো, আটক কেন্দ্র বিস্তৃত করা ও অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তে বেজায় কর্মী নিয়োগের মতো কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে—তারপরও এ নীতির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে সমালোচনা ও রাজনৈতিক চাপ তীব্র হচ্ছে।

রয়টার্স জানায়, কংগ্রেসে পাস হওয়া ব্যয় প্যাকেজ অনুযায়ী ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) ও বর্ডার প্যাট্রোলকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১৭০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত তহবিল দেওয়া হচ্ছে, যা আবহাওয়া ও সীমান্ত নিরাপত্তা সম্প্রসারণে ব্যয় হবে—এ সময় ICE ও সীমান্ত রক্ষীদের বন্দি করে রাখা, অধিক কর্মী নিয়োগ ও অভিবাসী শনাক্তে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি ইতোমধ্যেই বড় শহরগুলোতে অতিরিক্ত অভিবাসন কর্মকর্তা মোতায়েনের মাধ্যমে বাস্তবে পরিণত হয়েছে, যেখানে এসব অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আদৌ এসব উদ্যোগ কতটা সফল হবে বা এর সামাজিক-রাজনৈতিক প্রভাব কী—তা নিয়ে সমালোচনা ও উদ্বেগ বাড়ছে।

অভিবাসন নীতির ওপর রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও স্পষ্ট। মিয়ামি ও অন্যান্য অভিবাসী অধ্যুষিত শহরে সম্প্রতি ডেমোক্র্যাট দলীয় জনপ্রিয়তার বৃদ্ধির ঘটনা টรัมপ নীতির বিরুদ্ধে একটি প্রতিশব্দ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং জনমতের জরিপেও ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির সমর্থন কমে এসেছে বলে খবরটি উল্লেখ করেছে।

রয়টার্সের এই প্রতিবেদনে এ কথাও বলা হয়েছে যে ট্রাম্পের নীতির লক্ষ্য অভিবাসীদের অপরাধীর দৃষ্টিতে তাকানো—তবে বাস্তবে অনেক আটক ব্যক্তির কোনো গুরুতর অপরাধ নেই, ফলে এটি মানবাধিকার ও ন্যায়-ব্যবস্থার ওপর প্রশ্ন তুলছে।

সূত্র: Reuters

শেয়ার করুন