শনিবার, ২ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইরানের সঙ্গে জড়িত ২৯ জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ফাইল ছবি

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ইরানের অপরিশোধিত তেল ও তেলজাত পণ্য পরিবহনের অভিযোগে ২৯টি জাহাজ এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালন সংস্থাকে নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এই জাহাজগুলো সমুদ্রপথে শত শত মিলিয়ন ডলারের ইরানি তেল পরিবহনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় একজন মিশরীয় ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। তার মালিকানাধীন বা জড়িত কোম্পানিগুলো এই ২৯টি ট্যাংকারের মধ্যে সাতটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, এসব জাহাজ ইরানের তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর অংশ এবং এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি শিপিং প্রতিষ্ঠানও নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, এই জাহাজ ও প্রতিষ্ঠান ইরানি তেল ও তেলজাত পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনে জড়িত ছিল। নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসন এই কার্যক্রমকে কড়াভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সময়কাল থেকে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলেছে; এর আগে ১৮০টির বেশি জাহাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন ট্যাংকার ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রধান ক্রেতা চীন তেলের আমদানি আরও বাড়িয়েছে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগের কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ নিষেধাজ্ঞা জোরদার হলেও ইরানের বাজারে চীনের ক্রয় ক্ষমতা সংহত হয়ে যাচ্ছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার এই নতুন ধাপ আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল এবং তেল রপ্তানিতে নতুন ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যা ইরানের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

শেয়ার করুন