শনিবার, ২ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনি সহ ৮ দেশের নাগরিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনি পাসপোর্টধারীসহ ৮ দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো ফিলিস্তিন, বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান, সিয়েরা লিওন, লাওস ও সিরিয়া।

গতকাল ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জাতীয় ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্ক্রিনিং, যাচাই-বাছাই ও তথ্য ভাগাভাগিতে দেখা দেওয়া স্থায়ী ও গুরুতর ঘাটতির কারণে এই নিষেধাজ্ঞা নেওয়া হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এ নিষেধাজ্ঞা ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে, গত নভেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কার্যক্রম স্থগিত করেছিল। ওই দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান, মিয়ানমার, বুরুন্ডি, শাদ, কিউবা, রিপাবলিক অব কঙ্গো, ইকুয়াটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লাওস, লিবিয়া, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, সুদান, টোগো, তুর্কমেনিস্তান, ভেনেজুয়েলা এবং ইয়েমেন অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোম জানিয়েছেন, এই তালিকার দেশ সংখ্যা আরও বাড়িয়ে কমপক্ষে ৩২টি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে বাকি ১৩টি দেশের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

নিষেধাজ্ঞার পেছনে সাম্প্রতিক ঘটনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্রসৈকতে বন্দুক হামলায় ১৫ জন ইহুদি নিহত হওয়া এবং সিরিয়ায় আন্তর্জাতিক সশস্ত্র গোষ্ঠী আইএসের হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও একজন দোভাষীর মৃত্যুকে হোয়াইট হাউস গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেছে।

হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “সিরিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিদ্যমান থাকলেও, নাগরিক স্ক্রিনিং ও পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অভাব রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ প্রয়োজন।”

শেয়ার করুন