পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) তাদের রাজনৈতিক কমিটি পুনর্গঠন করেছে। নতুন কমিটিতে ২৩ জন সদস্য রয়েছেন, যার মধ্যে তেহরিক তাহাফুজ আইন-ই-পাকিস্তান (টিটিএপি)-এর প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত।
পিটিআই মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা ও অতিরিক্ত মহাসচিব ফিরদৌস শামিম নকভির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। এটি দলটির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহণকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করবে এবং দল এর বিভিন্ন শাখা ও অন্যান্য কমিটির সব কার্যক্রম তদারক করবে।
নতুন কমিটি জাতীয় পরিষদ, সিনেট ও প্রাদেশিক পরিষদসহ—গিলগিট-বালতিস্তান ও আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের পরিষদে দলের সংসদীয় দলগুলোর নীতিমালা নির্ধারণ করবে।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন পিটিআই চেয়ারম্যান গওহার আলী খান, মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা, শামিম নকভি, শেখ ওয়াকাস আকরাম, খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি, আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস ও মাহমুদ খান আছাকজাই। এছাড়া ওমর আইয়ুব, শিবলি ফারাজ, মইন কুরেশি, মালিক আহমদ খান ভাচার, সাজ্জাদ বুরকি, আলিয়া হামজা, জুনেইদ আকবর, হালিম আদিল শেখ, দাউদ কাকার, খালিদ খুরশীদ, সরদার কাইয়ুম নিয়াজি, আসাদ কাইসার, আমির দোগার, ফাওজিয়া আরশাদ, কানওয়াল শাওজাব ও লাল চাঁদ মালহি সদস্য রয়েছেন।
এদিকে, পিটিআইয়ের সাবেক তথ্য সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আকবর এস বাবর নতুন কমিটি গঠনকে অসাংবিধানিক, অবৈধ এবং সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দণ্ডিত ব্যক্তি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে রাজনীতিতে অংশ নিতে পারেন না। বাবরের দাবি, নতুন কমিটি পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের নির্দেশে গঠিত হয়েছে, যিনি আদালতের দণ্ডপ্রাপ্ত।
বাবর আরও জানান, পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে লিখিতভাবে জানিয়েছে যে বর্তমানে পিটিআইয়ের কোনো কর্মকর্তা বা সংগঠনের আইনগত বৈধতা নেই।
সূত্র: জিও নিউজ





