মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মিডিয়ার গুঞ্জনকে উড়িয়ে কুসুমের চমকপ্রদ উত্তর: “সুগার মামি হওয়ার বয়স এখন!”

শোবিজের আলো-আঁধারিতে থাকা নায়িকাদের সোনালী জীবনযাত্রা দেখলে অনেকের মনে ধারণা জন্মায়, যে তাদের আর্থিক স্থিতিশীলতার পেছনে অবশ্যই কোনো পুরুষের অবদান আছে; যাকে প্রায়শই ‘সুগার ড্যাডি’ বলা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই সমাজে এই প্রথাগত ধ্যান-ধারণা প্রচলিত। একজন নারী যদি নিজের উপার্জনে স্বচ্ছল জীবন কাটান, তখনও তার অর্জনের স্বীকৃতি প্রায়ই অন্য কারো অবদানে দেওয়া হয়। এই কারণেই নায়িকারা প্রায়ই এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হন, যা অনেক সময় অস্বস্তিকর। এই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী কুসুম শিকদারও। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় কুসুম নিজের ব্যক্তিগত জীবন ও মিডিয়ার নানা গুঞ্জন নিয়ে কথা বলছিলেন। সেই সময় সঞ্চালক সরাসরি প্রশ্নটি তুলেন, “তুমি কি সুগার মামি হতে চাও?”

প্রশ্নটি শুনে হেসে কুসুম বলেন, “ও মাই গড! একবার এক ইন্টারভিউতে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আমার কি অনেক সুগার ড্যাডি আছে, বা গডফাদার আছে বা ছিল। তখন একটু বিরক্ত হলেও হেসে বলেছিলাম, সুগার ড্যাডির সময় তো শেষ হয়ে গেছে, এখন সুগার মামি হওয়ার বয়স!” নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, “এগুলো আসলে খুবই বোকা ধরনের কথা। যারা জানে না, তারাই এ ধরনের অনুমান করে। যারা সম্প্রতি আমাকে দেখেছে, যেমন ‘শরতের জবা’ প্রমোশনে, তারা হয়তো আমার পোশাক, গয়না বা ঘড়ি দেখে ভেবেছে, এত টাকা কোথা থেকে এল! তখনই তারা মনে করে কারো সাহায্য আছে।”

কুসুম জানান, তিনি শোবিজে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। বলেন, “মিডিয়াতে আমার প্রায় ২৩-২৫ বছর হলো। আমি ২১ বছর বয়স থেকে উপার্জন শুরু করেছি। এত বছর ধরে কাজ করলে কিছু অর্থ সঞ্চয় থাকা স্বাভাবিক। যদি না থাকে, সেটা বরং অস্বাভাবিক হয়ে যেত।”

জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দর্শকের মনে দৃঢ় অবস্থান করে রেখেছেন। বড় পর্দা বা ছোট পর্দা দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে সফল তিনি। ‘লাল টিপ’, ‘গহীনে শব্দ’, ‘শঙ্খচিল’-এর মতো সিনেমায় তার অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে তিনি বেশ সক্রিয়; নতুন লুক বা ভিন্ন অবতারে হাজির হলে মুহূর্তের মধ্যে মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেন।

শেয়ার করুন