নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ছাড়া অ্যাশেজের প্রথম দুই টেস্টে দারুণ আধিপত্য দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তবে চোট কাটিয়ে তৃতীয় ম্যাচে—অ্যাডিলেড টেস্টে—ফিরছেন দলনেতা কামিন্স। কিন্তু জশ হ্যাজলউডের ভাগ্যে ফিরতে না পারার হতাশা। পুরো সিরিজ থেকেই তাঁকে বিদায় নিতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড।
গত মাসে শেফিল্ড শিল্ডে খেলতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান হ্যাজলউড। সেই চোট থেকে সুস্থ হওয়ার পথেই ছিলেন তিনি। কিন্তু গত সপ্তাহে ফের অ্যাকিলিস টেন্ডনে ব্যথা অনুভব করায় তাঁর অ্যাশেজ অভিযান এখানেই থামল। এখন লক্ষ্য ফেব্রুয়ারির টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিরে আসা।
কোচ ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “ওর জন্য সত্যিই দুঃখ হচ্ছে। এমন কিছু বিপত্তি এসেছে, যেগুলো আমরা অনুমান করিনি। আমরা বিশ্বাস করতাম সে এই সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে; সেই সুযোগ না পাওয়াটা হতাশাজনক।”
হ্যাজলউড ছিটকে যাওয়ায় তৃতীয় টেস্টসহ পরের ম্যাচগুলোতে পেস বিভাগের নতুন সমন্বয় খুঁজতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে। অ্যাডিলেডে ফিরছেন কামিন্স—নেতৃত্বও আবার তাঁর হাতে উঠবে। পিঠের চোটের কারণে জুলাইয়ের পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যায়নি তাঁকে।
কামিন্স একাদশে ফিরলে স্মিথের কাছ থেকে আবার অধিনায়কত্ব গ্রহণ করবেন। ম্যাকডোনাল্ড জানান, “অ্যাডিলেডের আগে তাঁর ম্যাচ অনুশীলনের সুযোগ নেই, কিন্তু দীর্ঘ বিরতির পর ফেরার বিষয়টি সে আগেও সামলেছে। আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে, যতটা সম্ভব প্রস্তুত হয়েই সে নামবে।”
ব্রিসবেনে পিঙ্ক-বল টেস্টে নাথান লায়নকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। তবে সিরিজের বাকি তিন ম্যাচে তাঁকে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ১৮ উইকেট নিয়ে এগিয়ে থাকা মিচেল স্টার্কও থাকছেন, যদিও সামান্য পাশের ব্যথা আছে। শেষ তিন ম্যাচের কম সময়ের ব্যবধান বিবেচনায় রেখে অস্ট্রেলিয়া দল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ডের ওভারলোড ব্যবস্থাপনায় সতর্ক।
কামিন্স ও লায়ন দলে ফিরলে অ্যাডিলেড টেস্ট থেকে স্কট বোল্যান্ড, মাইকেল নেসার ও ব্রেন্ডন ডগেট—এই তিন পেসারের মধ্যে দু’জন বাদ পড়তে পারেন। জাই রিচার্ডসনকেও সিরিজের শেষদিকে বিবেচনায় আনা হতে পারে; গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের হয়ে তিনি ২৬ ওভার বল করেছেন।





