দেশের শীর্ষস্থানীয় কোমল পানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) তাদের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে মঈন উল্লাহ চৌধুরীকে নিযুক্ত করেছে। মঈনের ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের নেতৃত্বমূলক অভিজ্ঞতা রয়েছে মার্কেটিং, ব্যবসায় সম্প্রসারণ এবং ডিস্ট্রিবিউশনে।
২০১৮ সালে মঈন কোকা-কোলা বাংলাদেশে কমার্শিয়াল ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ডিরেক্টরের পদে উন্নীত হন, যেখানে তিনি ব্র্যান্ডের বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করা, কৌশলগত অংশীদারিত্ব তৈরি করা এবং টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এর আগে মঈন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশে টেরিটরি অফিসার, এরিয়া ম্যানেজার এবং ব্র্যান্ড এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর তিনি বিকাশে হেড অব কাস্টমার এনগেজমেন্ট অ্যান্ড ক্লায়েন্ট সাপোর্ট পদে দায়িত্ব পালন করেন।
মঈন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তার কার্যকর ব্যবসায়িক দক্ষতা, সমন্বিত নেতৃত্ব এবং কৌশলগত চিন্তার কারণে তিনি পরিচিত।
মঈনের নিয়োগ প্রসঙ্গে কোকা-কোলা ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথওয়েস্ট এশিয়ার (আইএনএসডব্লিউএ) সিনিয়র ডিরেক্টর ড্যানিয়েল ফ্রান্সিসকো গার্সিয়া পারডোমো বলেন, “মঈনকে আমাদের টিমে পেয়ে আমরা আনন্দিত। তার নেতৃত্ব আমাদের ব্যবসা ও সামাজিক উদ্যোগগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে। মঈনের বাজার সম্বন্ধীয় জ্ঞান এবং বাণিজ্যিক দক্ষতা আমাদের বাংলাদেশের বাজারে নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সাহায্য করবে।”
নিজের নিয়োগের বিষয়ে মঈন উল্লাহ চৌধুরী বলেন, “দেশের মানুষের জন্য সতেজতা এবং আনন্দের মুহূর্ত সৃষ্টি করতে পারা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। আমি কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস লিমিটেড (সিসিবিবিএল) ও আবদুল মোনেম লিমিটেড (এএমএল) বেভারেজ ইউনিটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। এছাড়াও, আমরা গ্রাহক ও কমিউনিটির সঙ্গে মিলিত হয়ে বাংলাদেশের বাজারে আরও প্রবৃদ্ধি এবং প্রভাব তৈরি করতে চাই।”
কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) দ্য কোকা-কোলা কোম্পানির (টিসিসিসি) সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টাভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান ১৯৬২ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অনুমোদিত বোতলজাতকরণ পার্টনার কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজ লিমিটেড (সিসিবিবিএল) এবং আবদুল মোনেম লিমিটেড (এএমএল) এর মাধ্যমে কোকা-কোলা, স্প্রাইট, ফান্টা, কিনলেসহ বিভিন্ন নন-অ্যালকোহলিক পানীয় দেশের বাজারে পৌঁছে দেওয়া হয়।





