আসন্ন বিপিএলে যুক্ত হলো নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি নোয়াখালী, যারা খেলবে ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’ নামে। প্রথমবারের মতো বিপিএলে অংশ নিতে যাচ্ছে জেলা-ভিত্তিক এই দল, আর স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ। একই সঙ্গে আলোচনায় এসেছে দলটির মালিকানা, ম্যানেজমেন্ট, নিলামের আগেই কারা সরাসরি দলে যোগ দিচ্ছেন—এসব প্রশ্নও ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে।
এমন পরিস্থিতিতে বুধবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে একটি খবর—নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রথম কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। ঘরোয়া ক্রিকেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও সফল এই কোচ বিপিএলে আগেও ঢাকাকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন এবং বেশ কয়েকবার দলকে ফাইনালে তুলেছেন।
সম্প্রতি প্রিমিয়ার লিগে তার কোচিংয়ে তরুণদের নিয়ে গড়া গুলশান ক্রিকেট ক্লাব সুপার লিগে উঠে আসে এবং টুর্নামেন্ট শেষ করে পঞ্চম স্থানে—যা অনেকের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাফল্য বলে বিবেচিত হচ্ছে।
গত বিপিএলে ঢাকার কোচ ছিলেন সুজন। তবে তুলনামূলক দুর্বল স্কোয়াড নিয়ে প্রত্যাশিত সাফল্য পাননি। তাই এবারে কোন দলের দায়িত্ব নেবেন—এ নিয়ে চলছিল নানা জল্পনা। ঠিক এমন সময়ই শোনা যায়, নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি নোয়াখালীর কোচ হচ্ছেন তিনি। তবে প্রথম দিকে সুজন বা নোয়াখালী কর্তৃপক্ষ কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।
বর্তমানে ব্যক্তিগত কাজে দেশের বাইরে থাকা খালেদ মাহমুদ সুজন ২৮ নভেম্বর দেশে ফিরবেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে তিনি নিশ্চিত করেছেন—হ্যাঁ, তিনি এবারের বিপিএলে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করছেন।
উল্লেখ্য, তিনি এখন রাজশাহীর বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সপ্তাহে ৩–৪ দিন সেখানে সময় দেন। জাতীয় দলে যুক্ত না থাকায় বিপিএলে কোচিংয়ের জন্য তার পর্যাপ্ত সময়ও রয়েছে।
সুজন বলেন, “আমি এখন খুব ব্যস্ত না। তাই নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রস্তাব গ্রহণে কোনো বাধা ছিল না। ফ্রি থাকায় নোয়াখালীর কোচিংয়ের দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছি।
তিনি আরও জানান, “নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। আমিও সিদ্ধান্ত নিয়েছি—এবারের বিপিএলে নোয়াখালীর কোচিংয়ের দায়িত্ব পালন করব।





