মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় পুলিশের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানারে একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালেও উপজেলা বাসাইল ইউনিয়নের ইমামগঞ্জ বাজার এলাকায় এই মিছিল বের করেন স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সমর্থিত নেতাকর্মীরা। মিছিলটির নেতৃত্বে ছিলেন সিরাজদিখান উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম লিটু।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, মিছিলে অংশ নেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতারা। সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় রাজনীতিকরা হতবাক হয়ে যান, যখন তারা দেখতে পান যে, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক কার্যক্রমের মধ্যেই পুলিশের উপস্থিতির সামনেই জহিরুল ইসলাম লিটুর নেতৃত্বে মিছিল বের হচ্ছে। মিছিলটি ইমামগঞ্জ বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় পুলিশ গাড়িকেও মিছিলের সঙ্গে চলতে দেখা গেছে, যা ঘটনাটিকে আরও বিতর্কিত করেছে।
উল্লেখযোগ্য যে, এই আকস্মিক মিছিল বের হয় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পরদিন সকালেই।
সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ আবু বকর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মিছিল চলাকালীন সময়ে ডিউটিরত পুলিশের একটি টহল গাড়ি সেখানে ছিল, তবে মিছিলকারীরা আমাদের বোঝার আগেই দ্রুত চলে যায়।”
এর আগে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত ও প্রায় ২৫,০০০ জন আহত হওয়ার ঘটনার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষে সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর তিন সদস্যের বেঞ্চ, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে, শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করে।





