ফিলিস্তিনের গাজা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হয়েছে। মোট ১৩টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। কোনো দেশ বিরোধিতা না করলেও রাশিয়া ও চীন ভোটদানে বিরত থাকে। তবে গাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন হামাস এই প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিবিসি ও আলজাজিরার রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের কথা বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, একাধিক দেশ আইএসএফ-এ সদস্য পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তবে এসব দেশের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
প্রস্তাব অনুযায়ী, আইএসএফ-এর মূল দায়িত্ব হবে—
-
হামাসসহ অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করা,
-
বেসামরিক মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া,
-
মানবিক সহায়তার রুটগুলো নিরাপদ রাখা,
-
এবং ইসরাইল–মিসরের সঙ্গে সমন্বয়ে গাজাকে স্থিতিশীল রাখা।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গাজায় একটি নতুন প্রশিক্ষিত ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গঠনের কথা বলা হয়েছে; যা এতদিন হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল।
হামাস তাদের টেলিগ্রাম বার্তায় প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, এই পরিকল্পনা ফিলিস্তিনিদের অধিকারের দাবি পূরণ করে না এবং গাজায় আন্তর্জাতিক অভিভাবকত্ব চাপিয়ে দিচ্ছে। তারা আরও অভিযোগ করে, প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণকে আইএসএফ-এর হাতে তুলে দিলে বাহিনী নিরপেক্ষতা হারাবে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ জানান, আইএসএফ-এর লক্ষ্য হবে গাজাকে সামরিকীকরণমুক্ত করা, সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস করা, অস্ত্র অপসারণ এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।





