শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় শুনে সেজদায় লুটিয়ে পড়লেন ছাত্রজনতা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে। রায়ের খবর পেয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ছাত্র-জনতা সেজদায় লুটিয়ে পড়েন। প্রথমে কিছু ছাত্র সেজদা দিলে একে একে অনেকে তাদের সঙ্গে মিলিয়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সেজদার পর তারা দোয়া ও মোনাজাত করেন। জুলাই আন্দোলনে শহীদদের জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা ও আহতদের সুস্থতার জন্য দোয়া করা হয়। এরপর আবারও স্লোগানে স্লোগানে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানানো হয়।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায় ঘোষণার খবর ধানমন্ডি ৩২-এ পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় উল্লাস শুরু হয়। আনন্দ মিছিলের সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্লোগান দেন—‘লীগ ধর, জেলে ভর’, ‘এ মুহূর্তে খবর এলো—খুনি হাসিনার ফাঁসি হলো’।

রায় ঘোষণার দিন সকাল থেকেই ধানমন্ডি ৩২-এ টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। কয়েক দফা মুখোমুখি অবস্থান হয় ছাত্র-জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে। সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

মামলায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি আসামি ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন। চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন পরে রাষ্ট্রপক্ষের রাজসাক্ষী হয়ে জবানবন্দি দেন এবং নিজের দায় স্বীকার করেন।

শেয়ার করুন