বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার নাজমুল হাসান জিম অনলাইনে বিভিন্ন ছদ্মবেশ গ্রহণ করতো। কখনো সে সেনাবাহিনী, কখনো নৌবাহিনীর সদস্য হিসেবে, এমনকি নারী সৈনিক সেজে মানুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলত। ভিডিও কলে জিম বিভিন্ন মেয়ের কণ্ঠে কথা বলত—সুরভী, অরিন, মিম বা জিমের নামে। মেকআপ ও পরচুলা ব্যবহার করে ছেলে থেকে মেয়ে হিসেবে পরিচয় দেয়ার ফাঁদে অনেকে পড়ে গিয়েছেন।
প্রলোভন ও প্রতারণার মাধ্যমে নাজমুল এবং তার সহযোগীরা জমির শেয়ার বিক্রির নামে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত। এক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে সে প্রতারণার মাধ্যমে ১৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা নিয়েছে।
র্যাব জানায়, নাজমুল ও তার সহযোগীরা সেনাবাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রাজশাহীতে ১০ কাঠা জমির শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেয়। তারা ইতিমধ্যে দুটি শেয়ার ক্রয় করেছে। শেয়ারগুলোর মধ্যে একটি নারী সৈনিকের নামে ছিল। কিন্তু কিছু অর্থ বাকি থাকায় তারা বাদীর কাছ থেকে টাকা চাইত এবং শেয়ার বিক্রি করে পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিত। এছাড়া, বিভিন্ন সময়ে অনলাইন ভিডিও কলে সামরিক ইউনিফর্ম পরিধান করে তারা ভুক্তভোগীর বিশ্বাস অর্জন করত এবং কম দামে শেয়ার ক্রয় করার প্রলোভন দেখাত।
গ্রেপ্তার নাজমুলের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে:
সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম, কম্ব্যাট ড্রেস, কম্ব্যাট গেঞ্জি, ফিল্ডক্যাপ, ট্রাউজার, টাওয়াল। নৌবাহিনীর সাদা ইউনিফর্ম, কম্ব্যাট গেঞ্জি, জার্সিক্যাপ, টাওয়াল। বিভিন্ন বাহিনীর কালারের ক্যান্টিন গেঞ্জি ১৫টি। ভুয়া এনআইডি কার্ড ৯টি। বাটন মোবাইল ৫টি, স্মার্টফোন ১টি। মেয়ে হওয়ার জন্য পরচুলা ও মেকআপ সেট
নাজমুল হাসান জিমকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।





