ঢাকায় পাকিস্তান হকি দলের আগমন দুই দিন আগে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান তিন ম্যাচের সিরিজ। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চেষ্টা দেখাতে চান বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা।
ভারতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে পাকিস্তান অংশ নেয়নি। বাংলাদেশ ঐ আসরে ষষ্ঠ অবস্থান অর্জন করেছিল। আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এই তিন ম্যাচের প্লে-অফ সিরিজের বিজয়ী দল আগামী বছরের নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ বাছাইয়ে খেলবে।
মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। বাকি দুই ম্যাচ যথাক্রমে শুক্রবার ও রবিবার একই ভেন্যুতে। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের প্রতিনিধিরা সিরিজের আগে উত্তাপ ছড়াচ্ছিলেন।
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে ১৪তম অবস্থানে, যেখানে বাংলাদেশ ২৯তম। সম্প্রতি দুই দলের মুখোমুখি ম্যাচের পরিসংখ্যানও পার্থক্য স্পষ্ট করছে; বাংলাদেশ সব ম্যাচ হেরেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হার ২০২২ সালের জাকার্তা হিরো এশিয়া কাপে ৮-০। তবে অধিনায়ক রেজাউল করিম বাবু আত্মবিশ্বাসী, “পাকিস্তান ভালো দল, আমরা জানি। তবে আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করলে ইতিবাচক ফলাফল আসতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “দলে সাতজন অনূর্ধ্ব-২১ খেলোয়াড় আছে। তাদের সঙ্গে বোঝাপড়া ভালো। চারজন ইতোমধ্যে জাতীয় দলে খেলছেন, তাই দলগত সমন্বয় আগের মতোই আছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
বাংলাদেশ দলের জার্মান কোচ সিগফ্রেড আইকম্যান পাকিস্তান দলের সাবেক কোচ ছিলেন। তাই দুই পক্ষই একে অপরের কৌশল জানে। আইকম্যান বলেন, “র্যাঙ্কিং ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে পাকিস্তানের কিছুটা সুবিধা আছে। তবে আমাদের খেলোয়াড়রা ফিট এবং প্রস্তুত। ম্যাচটা চ্যালেঞ্জিং হবে।”
পাকিস্তান দলের ম্যানেজার মোহাম্মদ উসমানও সতর্ক, “বাংলাদেশ শক্তিশালী, ফিট এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সহজ জয় এখানে নেই।” অধিনায়ক শাকিল ভাট যোগ করেন, “বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সুযোগের কারণে ম্যাচগুলো গুরুত্বপূর্ণ। কোচ না থাকায় সমস্যা হবে না, পুরো দল একসাথে কাজ করছে। উত্তেজনাপূর্ণ খেলার অপেক্ষায় আছি।”





