অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার :
নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল ও রায়পুরার চরাঞ্চলে সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু পক্ষে মধ্যে চলে টেঁটা যুদ্ধ। রায়পুরার চরাঞ্চলের টেঁটা যুদ্ধ বন্ধের শেষ কোথায়? কেউ বলতে পারে না। প্রায় এক শত বছর ধরে ধংসানুক্রমে ওই এলাকায় টেঁটা যুদ্ধ চলে আসছে। এক দল মানুষ যুগের পর যুগ ধরে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে টেঁটা যুদ্ধ করে আসছে।
রায়পুরার চরাঞ্চলে টেঁটা যুদ্ধ বন্ধ করতে এলাকাবাসী- জনপ্রতিনি- প্রশাসন মিলে একাধিকবার বৈঠক করেও এলাকার টেঁটা যুদ্ধের সমস্যা সমাধান করতে পারেননি। নরসিংদী সদর ও রায়পুরা উপজেলায় মেঘনা চরবিস্তৃত ইউনিয়নে কিছুদিন পর পর টেঁটা যুদ্ধ হয়। রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা- বাঁশগাড়ী- মির্জাচর ও পাহারতলী ইউনিয়নে টেঁটা যুদ্ধ বেশি হয়।
শিক্ষক নাজমূল শাহীন বলেন, চরাঞ্চলে যুগের পর যুগ ধরে আধিপত্য বিস্তারের জন্য টেঁটা যুদ্ধ করে আসছে। ঔই সব এলাকার শিশুরা ছোট বেলা থেকেই টেঁটা যুদ্ধ দেখে আসছে। এতে শিশুদের ওপর টেঁটা যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে। এক দিন সেই শিশরা বড় হয়ে হাতে টেঁটা যুদ্ধ শুরু করে। আমি টেঁটা যুদ্ধের অবসান চাই।
নরসিংদীতে খেয়াঘাটের আধিপত্য দুই পক্ষের মধ্যে টেঁটা নিয়ে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। শনিবার মাধবদী থানার চরাঞ্চল চর দিঘলদী ইউনিয়নে জিতরামপুরে মাইকে ঘোষনা দিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় বলে জানা যায়।
মাধবদী থানার ওসি নজরুল ইসলাম গনমাধ্যম কে জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্হানীয় শহিদ মিয়া ও চাঁন মিয়া গ্রুপের বিরোধ চলে আসছে। খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় ১৫ জন আহত হবার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্হান করে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে।
আহতরা নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও পুলিশের গ্রেফতারের ভয়ে অনেকই বিভিন্ন গোপন স্হানে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা যায়।
নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চলে টেঁটা যুদ্ধ কবে বন্ধ হবে, কেউ বলতে পারেন না। নরসিংদীর সচেতন মানুষ চায় টেঁটা যুদ্ধ বন্ধ হোক। এ নিয়ে সচেতন মানুষ বৈঠক করেও কোন সমাধান করতে পারেননি।





