বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এনসিপি দাবি: সংবিধান সংস্কারের পর নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও সংবিধান সংস্কারের নতুন দাবি তুলে ধরেছে। সংবিধান সংস্কার অনুমোদনের পর এর নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’ এবং বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের নতুন করে শপথ নিতে হবে।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের এলডি হলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এনসিপির পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এনসিপির প্রতিনিধিদলে ছিলেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাবেদ রাসিন, খালেদ সাইফুল্লাহ এবং যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মুসা। কমিশনের পক্ষে ছিলেন সহসভাপতি আলী রীয়াজ, সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান, মো. এমদাদুল হক এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

বৈঠকে এনসিপি জানিয়েছে, তারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার আগে আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়ন রূপরেখা দেখতে চায়। কমিশন জানান, খসড়া এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি চলছে।

এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, “আমরা কমিশনের কাছে সংসদের দ্বৈত ভূমিকা সংক্রান্ত পূর্বপ্রস্তাবগুলো আবার ব্যাখ্যা করেছি। তবে আদেশ না জারি হলে স্বাক্ষর করার কোনো সুযোগ নেই।”

এনসিপির নতুন দাবি হলো, সংবিধান সংস্কার অনুমোদনের পর এটি হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’ এবং সকল সাংবিধানিক পদে থাকা কর্মকর্তা ও ব্যক্তিকে নতুন করে শপথ নিতে হবে।

জহিরুল ইসলাম বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের ভিত্তিতে আদেশ জারি হবে এবং সেই গণভোটে সনদ গণভিত্তি পাবে। এরপর নতুন সংসদ গঠনতান্ত্রিক ক্ষমতা অর্জন করবে।”

এনসিপি আগেও ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেনি। আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হওয়ায় তারা সনদে সই করেনি এবং এই অবস্থান বৈঠকেও পুনঃনিশ্চিত হয়েছে।

শেয়ার করুন