শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

শৈলকুপায় চাঁদার দাবিতে নিয়োগ পরীক্ষার্থীদের উপর হামলা: পরীক্ষার খাতা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা!

শৈলকুপা প্রতিনিধি
হালনাগাদ : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১, ৬:২১ অপরাহ্ণ
jhinaidha

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় চাঁদার টাকা না দেওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়ে পরীক্ষার খাতা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার দুপুর ১২ টায় শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যানের ছোট ছেলে ইকু শিকদারের নেতৃত্বে এই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। শৈলকুপা উপজেলার মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

সেসময় হামলাকারীরা কলেজের সিসি টিভির মেমোরি কার্ড ছিনতাই করে নিয়ে যায় এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়ে আসে তারা।

ঘটনাটি নিয়ে শৈলকুপা উপজেলায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকাশ্যে এরকম ঘটনা ঘটলেও দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে এখনও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, মহিলা কলেজে ল্যাব সহকারী পদার্থ বিজ্ঞানের ১ জন, আইসিটি পদে ১জন ও এমএলএসএস পদে ১জন নিয়োগ করার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় এবং নির্ধারিত তারিখ ও নিয়োগ বোর্ডের স্থান করা হয় শৈলকুপা মহিলা কলেজ।

ওই নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কানিজ ফাতেমা লিজা ও ডিজির প্রতিনিধি শৈলকুপা সরকারি কলেজের প্রিন্সিপাল আব্দুস সুবহান।

পদাধিকার বলে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল খবির আহমেদ, সদস্য প্রফেসর আকমল হোসেন ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহিদুন্নবী কালু।

তাদের উপস্থিতিতে শিক্ষক পদে ১১জন ও এমএলএসএস পদে ৫জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ১১ পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষা দিচ্ছিলেন এবং এমএলএসএস পদে ৫ জন ভায়ভা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

২০টি মোটরসাইকেল যোগে শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যানের ছোট ছেলে ইকু শিকদারের নেতৃত্বে ৩৫/৪০ লোক এসে নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত সকলকে ধাক্কাধাক্কি দিয়ে খাতা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। 

ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে প্রিন্সিপাল খবির আহমেদের বাম চোখ প্রচন্ড আঘাত প্রাপ্ত হয়। এখন পর্যন্ত তিনি বাম চোখে দেখতে পাচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে প্রিন্সিপাল খবির আহমেদ ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহিদুন্নবী কালু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, যখন তারা খাতা ছিনিয়ে নিতে আসে তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একটু বাইরে গিয়েছিল। সভাপতি ঘটনাটি জানার পর নিয়োগ স্থগিত করেছেন।

এ সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কানিজ ফাতেমা লিজার মোবাইলে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com