শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

শিক্ষক ও শিক্ষা (পর্ব-১)

কে এম আর শাহীন
হালনাগাদ : সোমবার, ১০ মে, ২০২১, ২:৪৬ অপরাহ্ণ

আজকের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শিক্ষকতা

 

শি = শিষ্টাচার

ক্ষ = ক্ষমাশীল

ক = কর্তব্যপরায়ণ

এই হলো শিক্ষক আর এই হলো শিক্ষকের মানদণ্ড। চমৎকার মানদণ্ড, চমকপ্রদ গুণাবলী, স্বভাবিক ভাবেই অপরিসীম সম্মান। তবেই না শিক্ষক!!!

তাই তো হওয়ার কথা। পৃথিবীর সবচেয়ে সুশিক্ষিত ও উন্নত দেশ গুলোর দিকে খেয়াল করলে দেখা যায় যে, একদিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সম্পুর্ন আলাদা, আবার সম্মানী কাঠামোও আলাদা। তবে নিয়োগের মানদণ্ড কিন্তু মেধা ও সততা। আবার সম্মানী কাঠামো ও সকল চাকরির উপরে।

মর্যাদার আসন যথেষ্ট সম্মানজনক জায়গায়। যে কারণে সে সব দেশ গুলোতে দ্রুত প্রসার ঘটেছে সুশিক্ষার় ও মেধার ফলে টেকসই উন্নয়নের এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে খেয়াল করলে দেখা যাবে ভিন্ন দৃশ্যপট। ভিন্ন হলে তো চলবে না।

বিশ্বায়নের এই যুগে, বিশ্বমানের মেধা জ্ঞানভিত্তিক সুশিক্ষা বাস্তবায়ন করতে না পারলে বিশ্বমানের মানবসম্পদ গড়া সম্ভব হবে না। ফলে পিছিয়ে পড়বে দেশ টেকসই উন্নয়ন থেকে। তাই এখনি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আর সে কাজটি করতে হলে সকল স্তরের শিক্ষক নিয়োগ একটি ফ্রেমের মধ্যে আনতে হবে। তাও আবার সৎ, বিনয়ী, নম্র-ভদ্র ও মেধার মানদণ্ডের ভিত্তিতে হতে হবে।

সকল চাকরি বিধির বাইরে আলাদা সম্মানী কাঠামো গঠন করে সর্বোচ্চ সম্মানী ও সম্মান এবং মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে দেখবেন দেশের প্রথম শ্রেণীর মেধাবীরা চলে আসবে এই মহান পেশায়। ফলাফল আসবে অতি দ্রুত। সৎ ও মেধাবী জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটবে আমাদের। তার আগে কিছু শুদ্ধি অভিযান চালানো প্রয়োজন।

যেমনঃ-

১) আতোজালা অর্থাৎ ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর দূর্বল শিক্ষকদের ব্যাপক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সবল করে তোলা। (এ সকল সম্মানিত শিক্ষার্থীদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমি এ কথা লিখছি না, বরং বাস্তবতার নিরিখে লিখছি)

২) ভুঁইফোড় শিক্ষক সমিতি বা সংগঠন গুলো শিক্ষক কল্যাণের নামে অর্থ তছরুপ করছে, এগুলো বন্ধ করা খুবই জরুরি।

৩) শিক্ষক – শিক্ষার্থীর গড় অনুপাত বাড়ানো অতি প্রয়োজন।

৪) শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্মানী নির্ধারণের মাধ্যমে বেশি যোগ্যদের যোগ্যতার মূল্যায়ন করা।

৫) বৈষম্য ও ব্যাতিরেকে সকল প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, আসবাবপত্র ও প্রযুক্তিগত সহায়তা জরুরি।

৬) শিক্ষক নিয়োগে সর্ব নিম্ন যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক ডিগ্রি। সম্ভব হলে সকল প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের মাধ্যমে একিভূত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।

তাছাড়া শিক্ষার্থীর তুলনায় অপ্রতুল শিক্ষক এবং এত কম বেতন দিয়ে কি আশা করা যায়!!! তারপর আবার অধিকাংশ শিক্ষক তথাকথিত ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া।

সবমিলে এই অবস্থার মধ্যে থেকে কি করে টেকসই উন্নয়ন, টেকসই গণতন্ত্র, নীতি নৈতিকতা সমৃদ্ধ জাতি এবং উন্নয়নশীল দেশ কিভাবে সম্ভব। বিষয়টি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে আসে না।

(চলবে)…..


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com