শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ব্রাজিলকে বিদায় করে শেষ আটে নরওয়ে

শেষ আটে যাওয়ার লড়াইয়ে আজ ব্রাজিল মুখোমুখি হচ্ছে নরওয়ের। এই নরওয়ের বিপক্ষে কখনোই জেতার রেকর্ড নেই ব্রাজিলের।

ব্রাজিলকে বিদায় করে শেষ আটে নরওয়ে

আর্লিং হালান্ডের শেষ দশ মিনিটের জাদুতে ভর করে ব্রাজিলকে বিদায় করল নরওয়ে। ২-১ গোলে জিতে তারা চলে গেল বিশ্বকাপের শেষ আটে। 

 ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:০২ এএম

পেনাল্টি থেকে নেইমারের গোল

বক্সে কাসেমিরোকে ফাউল করেছিলেন অস্টিগার্ড। পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। পেনাল্টি থেকে নেইমার স্কোরলাইনটা ২-১ করে বসেন।

হলুদ কার্ড দেখলেন নেইমার

৬৮ মিনিটে মাঠে এসেছিলেন। পার্থক্য গড়ে দিতে পারেননি নেইমার। দল যখন ২ গোলে পিছিয়ে, তখন নিজেদের বক্সের বাইরে মার্টিন ওডেগার্ডকে ফাউল করে বসলেন তিনি। দেখতে হলো লাল কার্ড।

আর্লিং হালান্ড!! অবিশ্বাস্য!!!

বক্সের বাইরে পাস পেয়েছিলেন। কোণটা দুরূহ ছিল, বক্সের বামে ছিলেন তিনি। সেখান থেকেই মাটি কামড়ানো এক শট নিয়ে বসলেন। সেটা আলিসন বেকারের কবজা ছাড়িয়ে ডান পাশের পোস্টে লেগে জড়াল জালে।

আর মাত্র ৭ মিনিট বাকি, ব্রাজিলকে করতে হবে দুই গোল। প্রায় অসম্ভবের কাছে পৌঁছে গেছে ব্রাজিলের কাজটা!

 ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪২ এএম

৮০ মিনিটে হালান্ডের গোল, বিদায়ের শঙ্কায় ব্রাজিল

নির্ধারিত সময়ের আর ১০ মিনিট বাকি। ঠিক এই সময়ে এসে গোল করে বসল নরওয়ে। গোলটা করলেন আর্লিং হালান্ড।

বক্সের বাম পাশ থেকে আন্দ্রেয়াস শেলডারুপের দারুণ এক ক্রস আসে ব্রাজিলের বিপদসীমায়। সেখানে গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসকে টপকে মাথা ছোঁয়ান হালান্ড। সেটা আলিসন বেকারকে ফাঁকি দিয়ে জড়ায় জালে।

আর ১০ মিনিট বাকি। ব্রাজিল পড়ে গেছে বিদায়ের শঙ্কায়!

 ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২ এএম

৬৮ মিনিটে মাঠে নামলেন নেইমার

ব্রাজিলের গোল চাই। এমন পরিস্থিতিতে নেইমার ছাড়া আর কাকে নামাতে পারতেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি? তিনি সেটাই করলেন ৬৮ মিনিটে। বিরাট এক হর্ষধ্বনিতে তাকে বরণ করে নিল দর্শকরা।

নেমে অবশ্য তিনি ছাপ ফেলতে পারেননি এখনও। কারণ তার নামার ঠিক পরই যে রেফারি ডেকেছেন দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেক!

৫৮ মিনিটের শেষে মাঠে এসেছিলেন এনদ্রিক। ম্যাচে ছাপ রাখার সুযোগটা তিনি পেয়ে গিয়েছিলেন ৬২ সেকেন্ডের মাথায়।

মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বলে বক্সে গোলরক্ষক নাইল্যান্ডকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। নাইল্যান্ড এগিয়ে এসে তার জায়গা ছোট করে দেন।

আর সেটাই তাকে হকচকিয়ে দিল যেন। গোলরক্ষককে চিপ করতে চেয়েছিলেন এনদ্রিক। বলটা চলে গেল বারপোস্টের বাইরে দিয়ে।

শুরুর অর্ধে গোল পেল না কেউ

প্রথমার্ধে কত কী যে হয়ে গেল! অফসাইডে বাতিল গোল, পেনাল্টি সেভ, অবিশ্বাস্য সেভ… কত কী! এই অর্ধের শেষে ব্রাজিল হয়তো আফসোসই করবে। পেনাল্টিটা সেভড না হলে যে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে পারত তারা!

আগের ম্যাচে প্রায় কাছাকাছি পরিস্থিতি থেকে গোল করেছিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। তবে আজ পারলেন না। বক্সের একটু বাইরে থেকে লং বল বাড়িয়েছিলেন কাসেমিরো। তাতে লাফ দিয়েও মাথা ছোঁয়াতে পারেননি মার্তিনেল্লি। বলটা চলে যায় মাথার ওপর দিয়ে। ছোঁয়াতে পারলেই গোল হতো নিশ্চিত! আফসোস!

ব্রাজিলকে রক্ষা করলেন আলিসন

ম্যাচের বয়স তখন ৪৫ মিনিট। বক্সে উঠে আসা আর্লিং হালান্ডকে কোনোক্রমে ঠেকিয়েছিল ব্রাজিল রক্ষণ, তবে খানিকটা দেরিতে বক্সে ঢোকা মার্টিন ওডেগার্ডকে ঠেকাতে পারেনি। তার শট ছিল লক্ষ্যে, সেটা দারুণভাবে ঠেকালেন আলিসন। তাতে রক্ষা পেল ব্রাজিল।

এবার ভিনির শট ঠেকালেন নাইল্যান্ড

নাইল্যান্ডের সময়টা ভালোই যাচ্ছে আজ। শুরুতে নরওয়ের এই গোলরক্ষক ঠেকালেন ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি, এরপর এবার তিনি ভিনির দারুণ এক শট ঠেকালেন। শুরুতে ফাউল মনে হচ্ছিল, তবে পরে দেখা গেল বলেই পা লেগেছিল তার, এরপর তিনি বক্সের বাম পাশে এসে কোণাকুণি শট নেন নরওয়ের জালে। সেটা নাইল্যান্ড দারুণভাবে ঠেকিয়ে দিয়েছেন হাঁটু দিয়ে।

২৬ মিনিটে মিলল হাইড্রেশন ব্রেক

ব্রেকটা সম্ভবত ব্রাজিলেরই বেশি প্রয়োজন ছিল। সেই হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজল ম্যাচের ২৬তম মিনিটে এসে। এই ২৬ মিনিটে দলটার মনোবল নড়ে যাওয়ার মতো দুটো ঘটনা ঘটেছে। শুরুতে একবার তাদের জালে বল জড়িয়েছে নরওয়ে, যদিও তা বাতিল হয়ে গেছে অফসাইডে, তবু রক্ষণের ভুল চিহ্নিত করে দিয়েছে বিষয়টা।

এরপর নিজেরা পেনাল্টি মিস করে সমতা ভাঙতে পারেনি। এমন পরিস্থিতি থেকে মাথা তুলে দাঁড়াতে একটা ব্রেকের প্রয়োজন পড়ে গিয়েছিল বেশ। সেটা এবার পেল তারা।

পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারল না ব্রাজিল

নরওয়ে বক্সে ফাউলের শিকার হয়েছিলেন মাতেউস কুনিয়া। শুরুতে রেফারি পেনাল্টি না দিলেও ভিএআর দেখে এসে পেনাল্টি দেন।

স্পটকিক নিতে আসেন ব্রুনো গিমারেস। ম্যাচের ১৪ মিনিটে তার পেনাল্টিটা ডান পাশে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ে গোলরক্ষক

শেয়ার করুন