মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

বসন্তের শুরুতেই নতুন সাজে আম গাছ, মৌমাছির গুনগুন চারিদিকে

খুলনা বিভাগীয় বার্তা সম্পাদক
হালনাগাদ : বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১, ৩:০৩ অপরাহ্ণ

ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। আর এই ছয়টি ঋতুর মধ্যে ঋতুরাজ বসন্ত। কোকিলের সুমধুর কন্ঠে মাতাল করতে আবার ঋতুরাজ বসন্ত এসেছে শীতের শেষ প্রান্তে। তাই ফাগুনের ছোয়ায় ফুলে ফুলে রঙ্গিন সাজে সেজেছে পলাশ-শিমুলের গাছ। সেই সাথে আমের মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে আম গাছগুলো।

দেশের প্রতিটি বিভাগের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা সদরসহ গ্রামাঞ্চলে আমের মুকুলের ঘ্রাণ জানান দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্তের উপস্থিতি। রঙ্গিন ফুলের সমারোহে বর্ণিল সাজে সেজেছে যেমন প্রকৃতি চারপাশ, তেমনি মুকুলে মুকুলে নতুন ভাবে সেজেছে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন আমের বাগান। মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ার উপক্রম চারপাশের প্রায় প্রতিটি আমগাছ। আর শোভা ছড়াচ্ছে স্বমহিমায়। মৌমাছিরাও ব্যস্থ মধু আহরণে।
বাগান মালিক ও আমচাষিরা ব্যস্থ সময় পার করছেন পরিচর্ষা নিয়ে। অবশ্য গাছে মুকুল আসার আগে থেকেই তারা গাছের পরিচর্ষা করে থাকে, যাতে গাছে মুকুল বা গুটি বাঁধার সময় কোন সমস্যা না হয়। বাগানে সারিবদ্ধ মুকুলে নুয়ে পড়া আম গাছ গুলো দেখতে যেন অপরুপ সৌন্দর্য।

এখানে ফজলি, রুপালী, হিম সাগর, মল্লিকা, বিশ্বনাথ ও ল্যাংড়াসহ কয়েক জাতের আমের চাষ করা হয়।
আম চাষিরা নিজ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এ চারা সংগ্রহ করে আমের বাগান তৈরী করেন বা আম চাষ শুরু করেন। কিন্তুু বর্তমানে তারা নিজেরাই চারা উৎপাদন করছেন এবং বাজারজাত করে অর্থ উপার্জনও করছেন উপজেলার আম চাষিরা বা বাগান মালিকেরা।
এক আম বাগানের মালিক ইউসুফ সরদার জানান, চার একর জমিতে আমের বাগান করেছি। তবে এখনো সব গাছে মুকুল আসেনি, কিছু দিনের মধ্যে হয়তো চলে আসবে বলে আশা করছি। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আমের ফলন ভালো হবে।

এ বিষয়ে মাগুরা মোহাম্মদপুর কৃষি কর্মকর্তা, কৃষিবিদ মোহাম্মদ আব্দুস সোবাহান জানান, আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে নির্ধারিত সময়ের আগে থেকেই আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। তবে এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবং বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এ উপজেলায় আমের বাম্পার ফলন হবে এবং আম চাষিরা লাভবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com