শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম পরিদর্শনে জাতিসংঘ কর্মকর্তার আগমন..!

চোখ ডেস্ক
হালনাগাদ : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ

আগামীকাল ১৫ মার্চ সোমবার, “পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশ” ও “বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদ” এর কেন্দ্রীয় অফিস পরিদর্শনে আসছেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ভারতীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধান জনাব রমেশ সিং।

পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশ-এর জন্মলগ্নের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:-

২০০৫ সালে ‘পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশ’ নামে একটি পাঠাগার গড়ার উদ্যোগ নেন ইমাম হোসেন নামের এক যুবক।

মাধ্যমিকে এ প্লাস পেয়ে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। সংসারে অভাব থাকায় টিউশনি করে লেখাপড়ার খরচ জোগাতেন। তার পাশাপাশি নিজ বাসায় গড়ে তোলেন বিদ্যাসাগর উন্মুক্ত পাঠাগার। নিজেই পোস্টার লাগিয়ে পাঠাগারটির প্রচারণা চালাতেন। উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত অবস্থায় কুমিল্লার দেবিদ্বারে একটি এতিমখানায় পড়ানোর বিনিময়ে তিনবেলা খাবার পেতেন। শিক্ষার্থীদের জন্য সেখানেও বিদ্যাসাগর উন্মুক্ত পাঠাগারের কিছু বই নিয়ে যান।

মেধাবী এ ছাত্র কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিষয়ে মাস্টার্স শেষ করে চাকরির জন্য সময় ব্যয় না করে পাঠাগার আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার লড়াই শুরু করেন। পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন প্রথমে লুৎফর রহমানের মানবজীবন বই দিয়ে শুরু করেন। এখন তার পাঠাগারে বই আছে ১১ হাজার ৫২০টি। তাদের ট্রাস্টি বোর্ডে সদস্য ১১ জন। অফিশিয়ালি তাদের সদস্য ৪৭২ জন। তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাঠাগারের জন্য পুরোনো বই সংগ্রহ করেন। তা ছাড়াও প্রতি বছর বইমেলা থেকেও বই সংগ্রহ করেন।

সংগঠনটির লক্ষ্য সারাদেশের ৮৭ হাজার ১২১টি গ্রামে কমিউনিটি পাঠাগার গড়ে তোলা। সংগঠনটির দাফতরিক কার্যালয় কুমিল্লার ধর্মসাগর উত্তর পাড় পৌড়পার্ক এলাকায়। সংগঠনটির প্রধান কাজ হলো কোনো অঞ্চলে কেউ যদি পাঠাগার গড়তে চান; তাকে উৎসাহ, দিকনির্দেশনা দেয়া এবং পাঠাগার নিয়ন্ত্রণ করা। তাদের প্রচেষ্টায় দেশের ৪৩টি জেলায় পাঠাগার আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সারাদেশে সংগঠনটির নিয়ন্ত্রণে আছে ১৩৫টি পাঠাগার। পাঠাগার আন্দোলনের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী পাঠাগার গড়তে চাইলে কমপক্ষে ৩০০টি বই থাকতে হয়। তাদের দিকনির্দেশনায় নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বিরাজনগর বাজারে প্রথম পাঠাগার গড়ে ওঠে। সেটির নামও দেয়া হয় বিদ্যাসাগর উন্মুক্ত পাঠাগার।

২০১৩ সালের ৭ আগস্ট পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠার দিন প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন ডিসি আবু হেনা মোর্শেদ জামান। স্থানীয় জনগণ পাঠাগারটির জন্য ১৩ লাখ টাকা অনুদান দেন। পাঠাগার আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণে থাকা সবচেয়ে উন্নত পাঠাগারও এটি। পাঠাগার আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণে থাকা ২৫টি পাঠাগারের অবস্থা আশাব্যঞ্জক নয়। কারণ পাঠাগারগুলোয় বইয়ের সংখ্যা খুব কম। ইমাম হোসেনের এ উদ্যোগে খুশি হয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক তার পাশে দাঁড়ান। শিক্ষকরা পথশিশুদের জন্য পাঠশালা খুলতে ইমামকে উৎসাহ দেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালে কুমিল্লায় সামাজিক বন বিভাগে একটি অকেজো ঘরে ইমাম পথশিশুদের জন্য পাঠশালা গড়ে তোলেন। পাঠশালাটির নাম প্রজন্ম শিশু পাঠশালা। সেখানে সপ্তাহে দুদিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক পাঠদান করেন। পাঠশালায় ১৫০ জন পথশিশু ক্লাস করে।

এ খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাভিত্তিক এনজিও (হোপ ৮৭) ৭ লাখ টাকার বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যের বই ‘পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশকে’ দেয়। ইমাম হোসেন পাঠাগারের পাশাপাশি পথশিশুদের নিয়ে কাজ করায় এনজিওটি তাকে বই দেয়। বিষয়টি তখন ব্যাপক সাড়া ফেলে কুমিল্লায়। এতে ইমামের উৎসাহ বেড়ে যায়। পাঠাগার আন্দোলনের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হতে থাকলে বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণ পাঠাগার গড়তে আগ্রহী হয়। এভাবেই পাঠাগার আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছেন ইমাম। সরকারি সহযোগিতা সর্ম্পকে তিনি বলেন, ‘গত বছর ১৯ হাজার টাকার বই এবং ১৯ হাজার টাকার চেক পেয়েছিলাম। টাকাটা কুমিল্লার পাঠাগার আন্দোলনের জন্য খরচ করা হয়েছে। আমাদের নিযন্ত্রণে থাকা ৫০টি পাঠাগার সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। এমনকি সেই পাঠাগারগুলোর লাইব্রেরিয়ানরাও প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে পাবেন। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

পাঠাগার আন্দোলনের সদস্য হতে হলে একাডেমিক কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না। শুধু বই পড়ার আগ্রহ থাকতে হয়। পাঠাগার আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণে থাকা পাঠাগারগুলোয় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া পাঠক বেশি। তবে গ্রামীণ পাঠাগারগুলোয় কৃষক শ্রেণির পাঠক বেশি। কৃষক পাঠকদের সম্পর্কে ইমাম বলেন, ‘কৃষকরা পাঠাগার থেকে বই সংগ্রহ করে মাঠে নিয়ে যায়। তারা মাঠে চাষাবাদের পাশাপাশি যখন গাছের নিচে বসে বই পড়েন; সেই দৃশ্য আমাকে অনুপ্রাণিত করে।

’ পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশের অন্যতম সফলতা ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সারাদেশের ১৪০০ যুবক-যুবতী নিয়ে জাতীয় যুব সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংগঠনটি প্রতিমাসে সদস্যদের নিয়ে মিটিং করে। মাসিক একটি চাঁদা নির্ধারণ করা থাকলেও সামর্থের অভাবে অনেকে চাঁদা দেয় না। ‘পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশের’ সংগ্রামটা অনেকটা নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো। এ বিষয়ে পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন বলেন, ‘আমরা লাইব্রেরিয়ানরা যথাযথ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাই না। আমরা যদি কোন সরকারি ভাতা পেতাম, তাহলে পাঠাগার আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে পারতাম।’

ইমাম হোসেনের এসব কাজের জন্য উৎসাহ দিতেন তার মা, বন্ধু ও শিক্ষকরা। বই সংগ্রহের পেছনে ইমাম হোসেনকে সবচেয়ে বেশি প্রেরণা জুগিয়েছেন মাধ্যমিকের ইংরেজি শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান চৌধুরী। এ দুজন শিক্ষকই তাকে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়তে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। শিক্ষকদের বিষয়ে ইমাম বলেন, ‘তারা বইপ্রেমী মানুষ। সব সময় আমাকে বইপড়া এবং বই সংগ্রহের জন্য উৎসাহ জুগিয়েছেন তারা। তাদের কারণেই আমি বইপড়ার কদর বুঝতে পেরেছি।’ বইপ্রেমী ইমাম হোসেনের প্রিয় লেখক আহমদ ছফা ও হুমায়ূন আজাদ।

নিজের প্রাপ্তির জায়গা সম্পর্কে ইমাম বলেন, ‘বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের নির্বাচিত সভাপতি হওয়ায় এখন আমি সবার পরিচিত। আমার সঙ্গে সবার নিয়মিত যোগাযোগ হয়। আর পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশকে মানুষ ইতিবাচকভাবে নিয়েছে, এটা আমার জন্য বিরাট অর্জন।’ পাঠাগার আন্দোলনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে বইপড়ার কদর পৌঁছাতে হবে। পাঠাগার আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে এবং মানুষকে এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে আমরা নিয়মিত কর্মশালার আয়োজন করবো।

’ পাঠাগার আন্দোলনের এ যোদ্ধা বলেন, ‘পৃথিবীর সব আন্দোলন শূন্য থেকেই শুরু হয়েছিল। আমিও মাত্র একটি বই নিয়ে পাঠাগার আন্দোলন শুরু করি। এখন আমার পাঠাগারে অনেক বই। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে।’ ইমাম মনে করেন, সমাজের বিত্তবানরা যদি এ আন্দোলনে এগিয়ে আসেন; তাহলে পাঠাগার আন্দোলন একসময় সাফল্যের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে।

মূলত স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হতে চললেও কার্যত অবহেলিত রয়ে গেছে দেশের গণমানুষের বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাত গ্রামে গঞ্জে গড়ে উঠা পাঠাগার গুলো। রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান পাবলিক লাইব্রেরি। কিন্তু সরকারি সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও তদারকির অভাবে বিলুপ্ত হতে বসেছে এই মেঠো পথের বাতিঘর গুলো। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র গত ৬০ বছরে নামে মাত্র দেখভাল করে আসছে গ্রামের পাঠাগার গুলো কে।

বিশেষ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সোনার বাংলা গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ, এমপি মহোদয় এর নেতৃত্বে দেশে একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়েছে; তিনি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের গ্রামীণ পাঠাগার গুলোর উন্নয়নে বিশেষ নজর দিয়েছেন, তারই অংশ হিসেবে আমরা সমগ্র দেশের পাঠাগার উদ্যোক্তাদের সংগঠিত করছি। দেশের পাঠাগার গুলো কে বেগবান করতে ও বাঁচাতে প্রতিটি সচল গ্রামীণ পাঠাগারে একজন লাইব্রেরিয়ান ও একজন অফিস সহায়ক নিয়োগ দেওয়ার বিকল্প নেই। সমগ্র দেশের ২৫০০ হাজার পাবলিক লাইব্রেরি উদ্যোক্তাদের প্রাণের দাবি এটি৷

বর্তমানে দেশে ১৮ কোটি মানুষ রয়েছে ; তাদের শিক্ষার গুণগত মান ও সৃজনশীল মেধা গঠনে দেশে এই মুহুর্তে প্রয়োজন ৬০ হাজার পাবলিক লাইব্রেরি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দের মতে। সে তুলনায় মাত্র ৫% পাবলিক লাইব্রেরি আছে আমাদের ১৮ কোটি মানুষের জন্য। আজ যুব সমাজের অবক্ষয় ও মেধাহীন জাতি তৈরি হচ্ছে শুধু মাত্র গ্রামীণ জনপদের পাবলিক লাইব্রেরি গুলো সক্রিয় না থাকায়। প্রতিবছর রাষ্ট্র কয়েক কোটি টাকার অনুদান দিচ্ছে পাঠাগার গুলো কে কিন্তু ৯৫% পাঠাগার বন্ধ থাকায় বই পাঠ করতে পারছে না সাধারণ পাঠক সমাজ। কেননা গ্রামীণ পাবলিক লাইব্রেরি গুলো যে সকল উদ্যোক্তাগণ গড়ে তোলেছেন তারা নিজের জীবন জীবিকার তাগিদে সারাদিন নিজ পেশাভিত্তিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকেন বলে নিজ পাবলিক লাইব্রেরি টি নিয়মিত খোলা রাখতে পারেন না। অনেক পাবলিক লাইব্রেরি আছে যে গুলো কেবলমাত্র বিভিন্ন অনুষ্ঠান কেন্দ্রিক খোলা রাখা হয়।

পাঠাগার সম্পর্কে ব্যক্তিগত অভিমত প্রকাশ করে ডেইলি বাংলার চোখ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব কে,এম.মাহাফুজুল হক মামুন বলেন-

মুদ্রা কথা হলো, দেশটাকে মাদকমুক্ত এবং সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে হলে গণমানুষের বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাত গ্রামে গঞ্জে গড়ে উঠা পাঠাগার গুলোর অস্তিত্ব রক্ষায় সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় কখনোই মাদকমুক্ত বাংলাদেশের চেহারা আমরা দেখতে পারবো না। যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে তাদেরকে বই পড়ার প্রতি উৎসাহী করতে হবে। বইপ্রেমী বানাতে হবে। আর তার জন্য প্রয়োজন একটি জীবন্ত পাঠাগার। শুধুমাত্র দেশের সরকার পারে পাঠাগারকে জীবন্ত রূপ দিতে।

মাহাফুজ মামুন আরো বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই আনন্দিত যে, “পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশ”-এর কার্যক্রম পরিদর্শনে জাতিসংঘ কর্মকর্তা ও ভারতীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধান জনাব রমেশ সিংয়ের আগমন অবশ্যই একটি ফলপ্রসূ উদাহরণ হয়ে থাকবে আমাদের সবার জন্য।বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার কুষ্টিয়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে, জাতিসংঘ কর্মকর্তা ও ভারতীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধান জনাব রমেশ সিং কে ফুলেল শুভেচ্ছা সহ অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com