রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

চট্টগ্রামে ২৫০ বছর পুরনো ভবনের নিচে শত শত কলসি

বাংলার চোখ ডেস্ক
হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামের কোতয়ালি থানার পাথরঘাটায় বহু পুরনো একটি ভবন সংস্কারের কাজ শুরু করলে, ভবনের মাটির নিচ থেকে কয়েকশ মাটির কলসি বের হয়ে আসে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বলেছেন, প্রায় আড়াইশো বছরের পুরনো ওই ভবন সংস্কারের কাজ শুরু করা হয় গত সপ্তাহে। খনন কাজ শুরু করার পরেই এক এক করে অনেক মটকা (কলসি) বের হয়ে আসে।

তিনি বলেন, ‘অনেক ধরনের কোথা শোনা যায় এই ভবন নিয়ে। হাজি শরীয়তুল্লাহ সওদাগর নামে এক ব্যক্তির বাড়ি এটা। তিনি মিয়ানমার থেকে এখানে এসেছিলেন।

এলাকার লোক এটাও বলে, তিনি বাড়ি করার জন্য জাহাজে করে এই মটকা (কলসি) নিয়ে এসেছিলেন কিন্তু কেন বাড়ির নিচে রেখেছেন, সে সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে পারে না।’

কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামউদ্দিন বলেন, ‘ভবনটির নিচে কয়েকশ কলসি থাকার খবর আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পরলে প্রতিদিন সেখানে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন।

এসব মানুষের ভিড়ে যাতে করে কোনো ক্ষতি না হয় তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা আছে। তারা ওই এলাকা পাহারা দিচ্ছে।’

পাথরঘাটার নজুমিয়া লেনের বাসিন্দা চন্দ্রা আকতার। তিনি বলছেন, বাড়ির নিচে কলসি রাখার কারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে ভবনকে বাঁচানোর জন্য হতে পারে। আমার পূর্বপুরুষদের বলতে শুনেছি, এভাবে ঘর বানালে সেটা যেকোনো দুর্যোগ থেকে রক্ষা পায়। তবে আসলেই সেটা সত্যি কি না জানি না।

এদিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক স্নিগ্ধা আফসানা বলছিলেন, এগুলো মূলত ‘কালচারাল প্রেজুডিস’ বা ‘কালচারাল বিলিভ’। এর সঙ্গে ভবন নির্মাণের কোনো যোগসূত্র নেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা একটা ভবন বানানোর ক্ষেত্রে প্রথমেই গুরুত্ব দিয়ে থাকি এর ফাউন্ডেশনকে। একটা প্রপার ফাউন্ডেশন, আর্কিটেকচারাল সঠিক ডিজাইনসহ আরো অনেক বিষয় রয়েছে যেটা একটা ঘরকে বা ভবনকে শক্ত করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার জন্য অনেক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।’

‘মাটির কলসির বিষয়টা অনেকটা এমন যে, আজ থেকে কয়েকশ বছর আগের মানুষের একটা বিশ্বাস ছিল গুরুত্বপূর্ণ নথি বা অর্থ তারা মাটির নিচে রেখে দিত। আবার অনেকে পরকালের কথা চিন্তা, নিজস্ব বিশ্বাস থেকে নানা কর্মকাণ্ড করতো। সেসবের সঙ্গে ভবনের সুরক্ষার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।’

সূত্র : বিবিসি বাংলা

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com