শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

কুষ্টিয়া পৌর কাউন্সিলর রেখার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
হালনাগাদ : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ

কুষ্টিয়া পৌর কাউন্সিলর রেখার নামে উঠলো হতদরিদ্র ব্যক্তিদের কাছ থেকে নগদ টাকা আদায়ের অভিযোগ । দায় নিতে নারাজ তিনি, এখন ভুক্তভোগীদের কি হবে? নির্বাচনের মাত্র ৩ মাস পূর্ণ হতে না হতেই অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের অভিযোগ উঠেছেন কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৩,১৪ ও ১৫ নং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আফরিদা আফরিন রেখার বিরুদ্ধে।

কতিপয় এই মহিলা কাউন্সিলর জনপ্রতিনিধিত্বের সুযোগে মেতে উঠেছেন অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষে। কাউন্সিলর রেখার নামে ভুক্তভোগিদের দুই বছরের ৭৫০০ টাকার পন্য প্যাকেজ দেওয়ার নাম করে অসহায় ও হতদরিদ্র ব্যক্তিদের কাছ থেকে নগদ অর্থ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সুত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৩,১৪ ও ১৫ নং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আফরিদা আফরিন রেখার নিজস্ব ব্যক্তি যার নাম মোছাঃ আন্নিয়া খাতুন (অনিতা) স্বামী সাজ্জাদ হোসেন কে ব্যবহার করে। অসহায় ও হতদরিদ্রতার সুযোগে দুই বছর মেয়াদী চাল, ডাল, ময়দা, চিনি, তেল দেওয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ড জুগিয়া মন্ডলপাড়া এলাকায়। ভুক্তভোগিরা হলেন, ১. মোছাঃ বেগম (৬০) স্বামী মৃত আব্দুল কুদ্দুস তার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ১৩০০ টাকা ২. রাবেয়া খাতুনের (৫৫) কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ১২০০ টাকা। ৩. আনোয়ারা খাতুন (৬৫) স্বামী মৃত সাবের আলী যার কাছ থেকে নেওয়া হয় ১৫০০ টাকা। একই স্থানের আলেয়া বেগম (৪০) স্বামী কামরুল ইসলাম তিনি দেন ১৫০০ টাকা। একজন অন্ধ বৃদ্ধা মহিলা জালিমা বেগম (৭০) লোভ লালসায় ফেলে তার কাছ থেকে নেওয়া হয় ১০০০ টাকা।

এমন জানা অজানা আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ জনের কাছ থেকে আনুমানিক লক্ষাধিক টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এলাকাবাসীরা বলছে তিনি নাকি বড় বড় নেতাদের সাথে চলাফেরা করেন। তাদের ছত্রছায়াতেই সমাজের এমন অপরাধমূলক কাজে সামিল হয়েছেন বলে জানান তারা।

এই বিষয়ে আগামী পর্বে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

এই বিষয়ে কাউন্সিলর রেখার সাথে কথা বল্লে তিনি বলেন, এলাকার বড় বড় নেতা ও মান্য ব্যক্তিরা আমার বিষয়ে জানেন। আমি সরাসরি কারোর কাছ থেকে টাকা পয়সা নেই নি। আমি তাদের কে টাকা ফেরৎ দিতে বলেছি।

এই বিষয়ে প্যানেল মেয়র -১ ও ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহিন উদ্দিনের সাথে কথা বল্লে তিনি জানান, আমি বিষয়টি শুনেছি, তাকে দেখে মনে হয়না যে তিনি এমন প্রকৃতির। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com