শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

কুষ্টিয়ায় জোরপূর্বক জল মহলের মাছ নিধন

মুন্সী শাহীন আহমেদ (জুয়েল)
হালনাগাদ : শুক্রবার, ২১ মে, ২০২১, ২:২৫ অপরাহ্ণ

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার হাতিয়া জল মহলে জোরপূর্বক মাছ নিধন ও বাড়ী ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় হাতিয়া জল মহলের ইজারাদার বাদশা আলমগীর বাদী হয়ে ইবি থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন।

সূত্রে জানা যায়, এই জল মহল সংলগ্ন ৩টি পুকুর কাটে কাশিনাথপুর গ্রামের ৩ ব্যক্তি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা প্রশাসন পুকুর কাটতে বাধা প্রদান করে। এরই জের ধরে গতকাল বাদশা আলমগীরের ইজারাকৃত বিলে মাছ মেরে নেয় কাশিনাথপুর গ্রামের রতন গংরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রতন আলী (৫০), বাবুর আলী (৩৮), মোস্তাক আলী (৫৫), সুন্নত আলী (৪৮), আইয়ুব আলী (৪৫), সাহেব আলী (৪০), সর্ব সাং-পিতা মৃত শাহাদত মন্ডল, সুমন হোসেন (২৫), পিতা রতন আলী, বিপুল (২২), পিতা সুন্নত আলী, সোহান হোসেন (২৫), পিতা আইয়ুব আলী, মামুন হোসেন (২৮), পিতা মোস্ত আলী, সর্বসাং-কাশিনাথপুর, ইবি, কুষ্টিয়া। আমার আপন মামা আব্দুল খালেক (৪৫), আবু তালেব (৪০), উভয় পিতা মৃত তারা চাঁদ মালিথা, কাশিনাথপুর, ইবি, কুষ্টিয়া।

৩ জন একত্রিত হয়ে হাতিয়া বিল, জলমহল সরকারীভাবে সরকারের নিকট হতে ৩ বছরের জন্য ইজারা নেয়। ইজারা নেয়ার পর থেকে জলমহলে মাছ চাষ করি। গত ২০/০৫/২০২১ তারিখে বেলা দেড় টাকার সময় বিবাদীগণ আমাদের ইজারা নেয়া হাতিয়া জল মহল হতে মাছ ধরতে শুরু করে।

মাছ ধরতে নিষেধ করলে বিবাদীগণ আমাদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জল মহলের পাশে থাকা আমার মামা আব্দুল খালেক ও আবু তালেবের বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা, জানালা, টিউবওয়েল ভাংচুর করে। ১ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে।

৭নং বিবাদী সুমন আমার মামা আব্দুল তালেবের ঘরে থাকা আলমারীতে থাকা ৫০ হাজার টাকা নেয়। এছাড়াও আমাদেরকে মামলা হামলা না করার জন্য হুমকি অব্যাহত রেখেছে।

যে কোন সময় আমাদের প্রাণ নাশের ঘটনা ঘটাতে পারে।

এ ব্যাপারে ইবি থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান রতনের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে, তিনি জানান, আমি থানায় ছিলাম না। জরুরী কাজে বাইরে ছিলাম। তবে থানা অভিযোগ জমা হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com