শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

কুষ্টিয়ার কমলাপুর বাজার কি সম্পূর্ণভাবে লকডাউন এর বাইরে?

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১, ৭:৩০ অপরাহ্ণ

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কমলাপুর বাজার সম্পূর্ণভাবে লকডাউন এর বাইরে রয়েছে। দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ খোলা এবং এখানে স্বাস্থ্য বিধি মানার কোনো বালাই নেই।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে চলছে ব্যবসা-বাণিজ্য। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। যেখানে কুষ্টিয়া জেলা এখন করোনা হটস্পট। বেড়েই চলেছে মৃত্যুর মিছিল। এমন অবস্থার মধ্যে সরকারি বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে কমলাপুর বাজারে রমরমা চলছে ব্যবসা বাণিজ্য।

কমলাপুর বাজারের পার্শ্ববর্তী এলাকা পাহাড়পুর, নুরপুর, গোপালপুর, পিয়ারপুর, ইছাখালী সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের সয়লাব এই বাজারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অবাধে জ্বলছে চায়ের দোকানের চুলার আগুন। চলছে চায়ের দোকানের আড্ডা। মানছেনা সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যাবহার।

অথচ, কুষ্টিয়ায় করোনা ভাইরাস ভয়াবহ রুপ নেওয়াতে গত রবিবার রাত ১২ টা থেকে সাত দিন কঠোর লকডাউন ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসন। সেই সাথে সকল সামাজিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক সভা ও গণজামায়েত বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। শিল্প কলকারখানা সহ সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (কাঁচাবাজার ও ঔষধ ব্যতিত) বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা মানছেনা লকডাউন।

কমলাপুর বাজার ঘুরে দেখা যায় অধিকাংশ দোকানের সাটার অর্ধেক খোলা এবং দোকানী সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মতোই চলাচল করতে দেখা যায় সাধারণ জনগণের। লকডাউনে বেশিরভাগ মানুষই মাস্ক পরছেন না। কাঁচাবাজারে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যাদের এই সময় জনগনের পাশে থাকার কথা তারা ঘরে বসে আছেন।পুলিশ দোকানপাঠ বন্ধের নির্দেশ দিলেও পুলিশ চলে যাওয়ার পর দোকানদার অগের মতোই দোকান খুলে বসছে।

এ যেন চোর- পুলিশ খেলা খেলছে দোকান মালিকরা পুলিশের সাথে। এই চোর- পুলিশ খেলা বন্ধের জন্য প্রতিটা বাজারে একজন পুলিশের সাথে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব পালনের কাজে লাগায় তাহলে লকডাউন বাস্তবায়নে খুব একটা বেগ পেতে হবেনা।

তবে বর্তমানে জিয়ারখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: শাহজাহান এর একক প্রচেষ্টায় লকডাউন পালন করানোর চেষ্টা চলছে। তিনি কমলাপুর বাজারে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ রেখেছেন। তবে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি গ্রাম পুলিশের সঙ্গে পুলিশ সদস্যের প্রয়োজন তবেই সঠিকভাবে লকডাউন সম্ভব।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com