শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

কলারোয়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের নির্মাণাধীন ঝুকিপূর্ন ৭ পরিবারের ঘর সরিয়ে নিলেন উপজেলা প্রশাসন

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
হালনাগাদ : সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১, ১০:৩১ অপরাহ্ণ

কলারোয়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত/নির্মাণাধীন ঝুকিপূর্ন ৭পরিবারের ঘর সরিয়ে নিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার ৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে পূর্বে ইউএনওর উদ্যোগে ১৩টি পরিবারের জন্য ঘর নির্মান করা হয়। কিন্তু ওই স্থানটি বাগান, উচ্চস্থান ও বেলেমাটি হওয়ায় উপযুক্ত স্থানে ঘর নির্মান করা হয়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ ওঠে।

ঠিক সেই সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে যোগদান করেন জুবায়ের হোসেন চৌধুরী। তিনি ঘটনা স্থান পরিদর্শন করে দেখেন যে,ওই স্থানটি উচ্চ এবং চারপাশে পুকুর ও ঘের রয়েছে। সেই কারনে অল্প বৃষ্টিতে উচ্চ স্থানের মাটি ঝরে পড়ছে। তিনি ঘরগুলি নিরাপদে রাখতে ২পাশের পুকুরের মধ্যে ব্যারেলের টিন ও সিমেন্ট মাটির খুঁটি দিয়ে পাইলিং করার আদেশ দেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে।

সেই অনুযায়ী ঠিকাদার প্রতিনিধিরা ওই স্থানে বাশের বেড়া, ব্যারেলের টিন ও সিমেন্ট মাটির খুঁটি দিয়ে পাইলিং করেন। তার পরেও মাটি ঝরে পুকুরের মধ্যে পড়াছে। নির্মাণাধীন ঘরগুলি ঝুকির মধ্যে রয়েছে। তিনি বিষয়টি দেখে সরকারের উচ্চ পদাস্থ কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করে ঝুকিপূর্ন ঘরগুলি সরিয়ে নেন। অবশ্য ওই নির্মাণাধীন ঘরগুলি গৃহহীনদের বুঝিয়ে দেয়া হয়নি।

রবিবার (১১জুলাই) বিকালে ঘটনা স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে-নির্মাণাধীন ঘরগুলি ঝুকির মধ্যে রয়েছে, ৭পরিবারের ঘর সরিয়ে নেয়া হলোও আরো ১টি পরিবারের ঘর ঝুকির মধ্যে রয়েছে। যে কোন সময় ওই ঘরটিও ভেঙ্গে পুকুরের মধ্যে পড়তে পারে বলে এলাকাবাসী ধারনা করছেন।

ওই ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য বলেন, ঘর নির্মাণের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। শুনেছেন গত ৪জুলাই রবিবার সকালে ওই ঘরগুলি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে নিয়েছেন।

৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাস্টার নূরুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নে ৭৭জনের নামের তালিকা দেয়া আছে। সেই তালিকা অনুযায়ী তিনি মাত্র ১৩জনের ঘর বরাদ্ধ পেয়েছেন। যে খানে গৃহহীনদের ঘর করা হয়েছে ওই স্থানটির দুই পাশে ৩০ফুট বালি কেটে নিয়ে বড় বড় পুকুর বানিয়ে মাছ চাষ করছেন স্থানীয়রা।

যে কারনে অল্প বৃষ্টির পানিতে নির্মাণাধীন ঘরে পিছনের মাটি ঝড়ে পড়ছে। যে কোন সময় ঘরগুলি ঝ¦সে পড়তে পারে তার আশংখা করেছেন এলাকাবাসী। যে কারনে উপজেলা প্রশাসন ওই ঘরগুলি সরিয়ে নিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন,এখানকার সকল মালামাল সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ভাদিয়ালীতে নেয়া হয়েছে সেখানে গৃহহীদের বাকী ঘর গুলি নির্মাণ করা হবে। মাছ চাষী আরশাদ আলী বলেন- ওই গৃহহীনদের ঘরের পিছনের দিকে আব্দুর রহমান নামে এক ব্যক্তির ১২কাটা জমিতে বড় একটি পুকুর রয়েছে। আর সেই পুকুরে মাটি ঝরে পড়ছে।

তিনি আরো বলেন,তার জমির উপর দিয়ে গৃহহীনদের রাস্তা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরী বলেন,পূর্বের ইউএনও থাকতে ঘরগুলি নির্মাণ করা হয়েছিলো। তিনি এই উপজেলা যোগদান করে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত/নির্মাণাধীন ঘর গুলি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।

একই সাথে কোন সমশ্য থাকলে সেটি সর্বোচ্চ সতর্কতা,সততা ও নিষ্ঠার সাথে ঘরগুলো নির্মাণ করার নির্দেশ দেন ঠিকাদার প্রতিনিধিদের। ঘরগুলো নিয়মিত পরিদর্শন ও উপকারভোগীদের খোঁজখবর নেন।

তিনি আরো বলেন-আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার, ইতিমধ্যে যাদের তিনি ঘরের দলিল ও চাবি দিয়ে নির্মাণাধীন ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com