সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইসরাইলের নৌঘাঁটি ও স্থলবাহিনীর ওপরে তীব্র হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে ইসরাইলি বাহিনীর ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এর দায় স্বীকার করেছে সংগঠনটি। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে লেবাননের ভেতরে প্রবেশ করা ইসরাইলি স্থল সেনাদের লক্ষ্য করে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। Advertisement টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ নিশ্চিত করেছে, তাদের যোদ্ধারা লেবাননের মারুন আল-রাস এবং কাফার কিলা অঞ্চলে অবস্থানরত ইসরাইলি সেনাদের ওপর সরাসরি হামলা চালিয়েছে। স্থল অভিযানের পাশাপাশি হিজবুল্লাহর এই আক্রমণ ইসরাইলের কৌশলগত স্থাপনাগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অধিকৃত গোলান মালভূমিতে অবস্থিত ইসরাইলি সামরিক ক্যাম্প 'ইয়োভ' এবং হাইফা বন্দরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই হামলাগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন বাহরাইনে ইসরাইলি দূতাবাস লক্ষ্য করে ইরানের হামলা বাহরাইনে ইসরাইলি দূতাবাস লক্ষ্য করে ইরানের হামলা এর আগে লেবানন সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় বসবাসরত ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য একটি সতর্কবার্তা জারি করেছিল হিজবুল্লাহ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাইফা বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলার মাধ্যমে হিজবুল্লাহ সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা।

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে ইসরাইলি বাহিনীর ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এর দায় স্বীকার করেছে সংগঠনটি।  হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে লেবাননের ভেতরে প্রবেশ করা ইসরাইলি স্থল সেনাদের লক্ষ্য করে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ নিশ্চিত করেছে, তাদের যোদ্ধারা লেবাননের মারুন আল-রাস এবং কাফার কিলা অঞ্চলে অবস্থানরত ইসরাইলি সেনাদের ওপর সরাসরি হামলা চালিয়েছে।

স্থল অভিযানের পাশাপাশি হিজবুল্লাহর এই আক্রমণ ইসরাইলের কৌশলগত স্থাপনাগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অধিকৃত গোলান মালভূমিতে অবস্থিত ইসরাইলি সামরিক ক্যাম্প ‘ইয়োভ’ এবং হাইফা বন্দরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই হামলাগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে লেবানন সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় বসবাসরত ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য একটি সতর্কবার্তা জারি করেছিল হিজবুল্লাহ।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাইফা বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলার মাধ্যমে হিজবুল্লাহ সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সূত্র: আলজাজিরা।

শেয়ার করুন