শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
* To read Daily Banglar Chokh News in different languages ​​by Google Translator, going to `Select Language' option in the main menu.* ডেইলি বাংলার চোখের সংবাদ গুগল ট্রান্সলেটর দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়তে মেইন মেনুতে সিলেক্ট ল্যাংগুয়েজ অপশন এ যেয়ে ভাষা নির্ধারণ করুন* गूगल अनुवादक द्वारा दैनिक बांग्ला आई न्यूज को विभिन्न भाषाओं में पढ़ने के लिए, मुख्य मेनू में भाषा का चयन करें विकल्प पर जाकर भाषा का चयन करें।*

আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহা: মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব

বাংলার চোখ ডেস্ক
হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ

আগামীকাল বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় এ উৎসব যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে আমেজে সারা দেশে উদযাপিত হবে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কুরবানির মধ্য দিয়ে পালন করবে ধর্মীয় দ্বিতীয় বৃহত্তম এ উৎসব।

হযরত ইব্রাহিম (আ.)’র আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে থেকে শুরু হয় কুরবানির এ প্রচলন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে কুরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন।

অনন্য এ ঘটনার স্মরণেই ঈদুল আযহায় কুরবানির প্রচলন।

মহান আল্লাহপাকের প্রতি আনুগত্য এবং তাঁরই রাহে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বে কুরবানি ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে।

মুসলমানদের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে অন্যতম ঈদুল আজহা শুধু পশু কুরবানির আনুষ্ঠানিকতাই নয়, এ ঈদ সমগ্র বিশ্বে মুসলমানদের ত্যাগ, আত্মসমর্পণ ও আত্মোপলব্ধির শিক্ষা দেয়। ইসলামে কুরবানি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

পবিত্র কুরআনে সূরা কাউসারে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে- ‘অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কুরবানি করুন’। সূরা হজে বলা হয়েছে ‘কুরবানি করা পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা’। কুরবানির মূল উদ্দেশ্যই তাকওয়া বা খোদাভীতি।

এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে- ‘এগুলোর গোশত আমার কাছে পৌঁছায় না। কিন্তু তোমাদের তাকওয়া পৌঁছে যায়।’

রাসূল (সা:) বলেছেন, ‘ঈদুল আজহার দিন কুরবানির চেয়ে আর কোনো কাজ আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দীয় নয়।’

অন্যত্র বলেছেন ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকার পারও কুরবানি দিলো না সে যেন আমার ঈদগাহে না যায়।’

কুরবানির পশুর গোশত তিন ভাগ করে একভাগ আত্মীয়স্বজনকে, আরেক ভাগ গরিবদের মধ্যে বণ্টন এবং বাকি একভাগ নিজেরা খাওয়া সুন্নত।

ঈদুল আজহার দুই রাকাত নামাজ জামাতে আদায় করা ওয়াজিব। কুরবানি ১০ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজের যেকোনো দিন করা যায়। তবে প্রথমদিন করাই উত্তম।

এদিকে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এ ছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্টের বাণী

প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, কোরবানির মর্ম অনুবাধন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে সকলকে সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে গতকাল এক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এ কথা বলেন। আগামীকাল বুধবার ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে।

তিনি বলেন, আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও অকুণ্ঠ আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা অতুলনীয়।

তিনি বলেন, আল্লাহর প্রতি এই অকৃত্রিম ভালোবাসা ও ত্যাগের আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ্য। আযহার অর্থ কোরবানি বা উৎসর্গ করা। তা প্রসারিত করতে হবে সকলের কর্ম ও চিন্তায়।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়।

তিনি বলেন, আসুন, আমরা সকলে পবিত্র ঈদুল-আযহার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কাজে অংশ গ্রহণ করি এবং বৈষম্যহীন সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

গণমাধ্যমে দেয়া পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এক বাণীতে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে প্রিয়বস্তুকে উৎসর্গের মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি লাভে যে অনন্য দৃষ্টান্ত হযরত ইব্রাহীম (আ.) স্থাপন করে গেছেন, তা বিশ্ববাসীর কাছে চিরকাল অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

খালেদা জিয়ার বাণী

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত প্রতি বছর ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ফিওে আসে। স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবতার কল্যানে নিজেকে উৎসর্গ করা কুরবানির প্রধান শিক্ষা। হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-ক্রোধকে পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিবেদিত হওয়া আমাদের কর্তব্য।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By Uttoronhost.com